নয়াদিল্লি: ২০১২ সালে ‘ভিকি ডোনার’ দিয়ে আয়ুষ্মানের বলিউড যাত্রা শুরু। আজ সেই ‘ভিকি ডোনার’ ৯ বছরে পা রাখল। সেই খবর অভিনেতা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন একটি ছবি শেয়ার করে। আজকের আয়ুষ্মান সকলের হার্টথ্রব হলেও সেই ৯ বছর আগের ছিপছিপে চেহারার ‘ভিকি ডোনার’কে দর্শক কিভাবে গ্রহণ করবে সেই নিয়ে বেজায় নার্ভাস ছিল আয়ুষ্মান।

সেদিনের ভিকির বলিউডে নিজের পায়ের তলার মাটি আজ অনেক শক্ত। আয়ুষ্মান জানান, ‘আজ ৯টা বছর কেটে গেলেও মনে হচ্ছে এই কালই যেন ভিকি ডোনারের শুটিং শেষ হল। ছবির স্ক্রিপ্টের উপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস থাকলেও, মুখ্য চরিত্র হিসাবে দর্শক আমায় কেমন ভাবে নেব সেটা ভেবে অনেকটাই নার্ভাস ছিলাম।’

নিজের পরিবার প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ‘আজও আমার মনে আছে সেদিন আমার পরিবার, বন্ধু বান্ধব আমার পাশে থেকে বলেছিল, আমার এত পরিশ্রমের ফল আমি পাব। দর্শক আমায় ঠিক পছন্দ করবে। আমি এই ইন্ডাস্ট্রির একজন আউটসাইডার।  সবে নিজের ভাগ্য নিজে লিখতে শুরু করেছি। জীবন আমার জন্যে এত কিছু তুলে রেখেছিল তা আমি ভাবতেও পারিনি। তাই আমি ভিকি ডোনারের কাছে ঋণী।

এই ছবির পরিচালনা করেছিলেন সুজিত সরকার। তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আয়ুষ্মান তার পোস্টে লিখেছেন, রোজ শুটিংয়ের পর আমি আর সুজিত দা ক্রিকেট খেলেছি, ফুটবল খেলেছি। তোমায় অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একজন পরামর্শদাতা হওয়ার জন্য।’ এছাড়াও তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন ছবির স্ক্রিপ্ট রাইটার জুহি চতুর্বেদী এবং প্রযোজক রনি লাহিড়ীকেও। আয়ুষ্মান বলেছেন, এই ছবি হিন্দি সিনেমার ভাষা বদলে দিয়েছে। তাই এমন একটি ছবির সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে গর্ব অনুভব করেন। ছবির অন্যান্য নির্মাতাদের সঙ্গে নায়িকা ইয়ামি গৌতম কেও ধন্যবাদ দিয়েছেন অভিনেতা। ইয়ামিরও এটি বলিউড ডেবিউ ছবি ছিল।

আয়ুষ্মানের পরের ছবি অভিষেক কাপুর পরিচালিত ‘চন্ডিগার কারে আশিকি’। মুক্তি পেয়ে গেছে ছবির ট্রেলারও। এই ছবিতে তার উল্টো দিকে আছেন ভানি কাপুর। এছাড়াও অভিনেতা শুট করছিলেন ‘ডক্টর জি’ ছবিটির জন্যে। ছবিতে তার উল্টো দিকে থাকছেন রাকুল প্রিত সিং। ছবির পরিচালনায় রয়েছেন অনুরাগ কাশ্যাবের বোন অনুভূতি কাশ্যাব। অনুভূতির এটি প্রথম পরিচালনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.