ওয়াশিংটন : ব্ল্যাক হিস্টরি মান্থ (Black History Month) বা কালো ইতিহাসের মাস। পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে এই মাস উদযাপন শুরু হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। পয়লা মার্চ শেষ হয় এই মাসের পালন। সেই সন্ধিক্ষণেই ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে নাসার কৃষ্ণাঙ্গ মহাকাশচারী (NASA Astronaut) ভিক্টর গ্লোভারকে ফোন করলেন (Kamala Harris Calls NASA Astronaut) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ ভাইস প্রেসিডেন্ট (Vice President), কমলা হ্যারিস (Kamala Harris)। ভার্চুয়াল চ্যাটের মাধ্যমে কথা হয় তাঁদের (NASA astronaut Victor Glover welcomed Vice President Kamala Harris)।

২৪শে ফেব্রুয়ারি এই কথোপকথন হয় তাঁদের দুজনের মধ্যে। শনিবার তা প্রকাশিত হয়। কিছুদিন আগেই নাসার মহাকাশচারী ভিক্টর গ্লোভার ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন  (International Space Station) থেকে নানা ছবি পাঠিয়ে ছিলেন। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে সেই ছবি তুলে পাঠানো হয়। এই স্পেস স্টেশনের দীর্ঘদিনের বাসিন্দা গ্লোভার। চাঁদ থেকে কীভাবে মঙ্গলে পাড়ি দেওয়া যায়, সেই গবেষণা প্রকল্পে নিয়োজিত গ্লোভার। তিনি নাসার স্পেস-এক্স ক্রিউ-১ মিশনের অন্যতম সদস্য। মহাকাশযানের পারফরম্যান্স ও কার্যকারিতা সম্পর্কে কাজ করছেন তিনি।

এই কাজের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে বেছে নেওয়া হয় ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনের মহাকাশচারী হিসেবে। এয়ার ইউনিভার্সিটি থেকে ফ্লাইট টেস্টের বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর, মিলিটারি অপারেশনাল আর্ট অ্যান্ড সায়েন্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে তাঁর। এছাড়াও F/A‐18 Hornet, Super Hornet, এবং EA‐18G Growler এয়ারক্রাফটের সফল পাইলট তিনি। তাঁকেই এদিন ফোন করেন কমলা হ্যারিস।

কমলা হ্যারিস নিঃসন্দেহে আমেরিকায় এটি একটি যুগান্তকারী সময়ের সূচনা করেন। কারণ এর আগে কোনো ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হননি। এর আগে ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন কমলা হ্যারিস। আমেরিকার ইতিহাসে তিনিই প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ভাইস প্রেসিডেন্ট (Vice President Kamala Harris)। ৫৫ বছর বয়সী এই রাজনীতিক দেশের প্রধান দুই দলের মধ্যে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী ও প্রথম এশীয় বংশোদ্ভূত হিসেবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন হয়েছেন। তাই কার্যত ইতিহাস গড়েন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।