কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ৫ নম্বর কাউন্সিল হাউস স্ট্রিটে প্রাক্তন বিচারপতি শৈলেন্দ্র প্রসাদ তালুকদার কমিটি ভিবজিওর সংস্থার আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। প্রথম পর্যায়ে ৫০ জন আমানতকারীকে টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

দেশজুড়ে করোনা অতিমারীতে যাতে টাকা ফেরত নিতে আসা আমানতকারীদের মধ্যেও সংক্রমণ না ছড়ায় সেই কথা মাথায় রেখেই ৫০ জনের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। আইনজীবী অরিন্দম দাস জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের মার্চ মাস থেকে ভিবজিওর আমানতকারীরা আইনি লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। আগামিদিনেও সেই লড়াই চলবে। প্রথম পর্বে ৫০০০ টাকা করে চেক তুলে দেওয়া হয় প্রাক্তন বিচারপতি তালুকদারের কমিটির পক্ষ থেকে।

শুধু এরাজ্যেই নয়। ওডিশা থেকেও অনেকেই এসেছিলেন টাকা ফেরত নিতে। উৎসবের মরশুমের আগেই তাঁরা টাকা ফেরত পেয়ে যথেষ্ট খুশি। প্রাক্তন বিচারপতি এস পি তালুকদারের কমিটির পক্ষ থেকে আমানতকারীদের বাড়িতে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। আমানতকারীদের সঙ্গে ফোনেও যোগাযোগ করা হয়। রাজ্যজুড়ে একের পর এক বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থায় মানুষ টাকা লগ্নি করে সর্বস্বান্ত হয়েছেন।

লগ্নি করে টাকা ফেরত না পেয়ে অনেকেই আত্মহত্যার পথও বেছে নিয়েছেন। কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে দীর্ঘদিন বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার মামলাগুলির শুনানি চলছে। সেই মামলার শুনানিতেই ভিবজিওয়র সংস্থায় লগ্নিকারীদের টাকা ফেরতের নির্দেশ দেন বিচারপতি। সেই মতো প্রথম পর্বে ৫০ লগ্নিকারীকে টাকা ফেরত দেওয়া হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।