স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে চলছে আলাউদ্দিন খিলজির সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে এইভাবেই আক্রমণ করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ১৮টি আসন পাওয়ার পর অনেক বিশেষজ্ঞই মন্তব্য করেছিলেন, রাজ্যে মেরুকরণের ভোট হয়েছে। অধিকাংশ হিন্দু ভোট গিয়েছে বিজেপির দিকে। তারপর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনীতিতেও পরিবর্তন হয়েছে। সংখ্যাধিক্য হিন্দু সমাজের খুঁটিনাটি বিষয়ে নজর দিয়েছে তৃনমূল সরকার। পুরোহিতদের ভাতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই বক্তব্যে কিছুটা হলেও সুর কাটলো।

বুধবার কলকাতায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. সুরেন্দ্র জৈন এসেছিলেন। তিনি বক্তব্য রাখেন। বিস্ফোরক বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলায় আলাউদ্দিন খিলজির সরকার চলছে। হিন্দুত্বের উপর আক্রমণ হচ্ছে। হিন্দু সামাজিক উৎসবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে পশ্চিমবঙ্গে শুধু আজ থেকে নয়, বিগত ৪২ বছর ধরেই হিন্দুরা অত্যাচারিত। হিন্দুরা ৩৪ বছর বসম শাসনের অত্যাচার সহ্য করেছে। শেষ ৮ বছর ধরে তৃণমূলের জমানায় অত্যাচার সহ্য করছে হিন্দু সমাজ।

শুধু আলাউদ্দিন খিলজি নয়, বামফ্রন্ট-তৃণমূলের শাসনকালকে দুঃশাসনের রাজত্বের সঙ্গেও তুলনা করেছেন সুরেন্দ্র।

তিনি বলেছেন, বাংলার মানুষ রাস্তা আটকে হনুমান চালিসা পাঠ করে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। এদিন সুরেন্দ্র দুটি বই উদ্বোধন করেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বুধবার অখন্ড ভারত দিবস পালন করেছে।
সুরেন্দ্র রামমন্দির নির্মাণ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের উপরেই ভরসা রাখতে চান তিনি বলেছেন, তিনি নিশ্চিত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি অবসর গ্রহণের আগে রাম মন্দিরের রায় ঘোষণা করে যাবেন।