কলকাতা: চলে গেলেন কল্পবিজ্ঞানধর্মী সাহিত্যিক এবং বিশিষ্ট অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধন। বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। গতকাল রাত একটায় তিনি প্রয়াত হন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া সাহিত্যমহলে।

অ্যাডভেঞ্চারের টানে জীবনে অনেক পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একটি প্রতিষ্ঠানের পারচেজ ম্যানেজারের পদ থেকে ইস্তাফা দিয়ে পুরোপুরি লেখার পথ বেঁছে নেন তিনি। গোয়েন্দা কাহিনী দিয়ে লেখালেখির শুরু করেন। তাঁর সৃষ্ট গোয়েন্দা ইন্দ্রনাথ রুদ্র ও মেয়ে গোয়েন্দা নারায়নী বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

আরও পড়ুন : স্বস্তির লক্ষন নেই, আজও চলবে অস্বস্তিকর গরমের দাপট

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান, কল্পবিজ্ঞান, অতীন্দ্ৰিয় জগৎ অতিপ্রাকৃত, অনুবাদ ইত্যাদির জন্য তাঁকে মনে রাখবে সাহিত্যপ্রেমী বাঙালি। ভারতের প্রথম কল্পবিজ্ঞান পত্রিকা ‘আশ্চর্য’ সম্পাদনা করেছেন তিনি। পত্রিকা, রেডিও, ফিল্ম ক্লাবের মাধ্যমে কল্পবিজ্ঞানকে আন্দোলন আকারে সংগঠিত করেন। পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার।

এর আগে জানুয়ারি মাসেই গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সাহিত্যিক অদ্রীশ বর্ধনকে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়৷ বার্ধক্যজনিত নানা অসুস্থতার কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভরতি হন তিনি৷ বর্ষীয়ান সাহিত্যিকের অসুস্থতার জন্য উদ্বিগ্ন ছিল সাহিত্যমহল।

আরও পড়ুন : বেহালায় গুলি ছিটকে জখম কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান

সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে জেনারেল বেড থেকে আইসিসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয় অদ্রীশ বর্ধনকে। চিকিৎসা সংক্রান্ত সহযোগিতার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এনআরএস কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞতাও জানান সাহিত্যিকের পরিবার। তবে শেষ রক্ষা হল না৷ চির শান্তির দেশে চলে গেলেন অদ্রীশ৷