ওয়াশিংটন: সিনসিনাটি মাস্টার্সের ওয়াইল্ড কার্ড পেলেন বিশ্বের দুই প্রাক্তন এক নম্বর তারকা ভেনাস উইলিয়ামস ও মারিয়া শারাপোভা৷ ওয়াইল্ড কার্ডের সৌজন্যেই ১২ অগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া ডব্লুটিএ ইভেন্টের সরাসরিস মূলপর্বে খেলতে দেখা যাবে ভেনাস ও মাশাকে৷

আরও পড়ুন: প্রসূন থেকে প্রসেনজিৎ, মোহনবাগান দিবস যেন চাঁদের হাট

৩৯ বছরের ভেনাস কেরিয়ারে ৭টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম সিঙ্গলস জিতেছেন৷ সব মিলিয়ে মোট ৪৯টি ডব্লুটিএ ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি৷ আরও ৯টি মেজর টুর্নামেন্টে রানার্স হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে সিনিয়র উইলিয়ামসকে৷ ২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিকের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ভেনাস বোন সেরেনা উইলিয়ামসকে সঙ্গে নিয়ে অলিম্পিকের আরও ৩টি ডাবলস খেতাব ঘরে তুলেছেন৷

এই মুহূর্তে বিশ্ব-ব়্যাংকিংয়ের ৫১ নম্বরে থাকা ভেনাস উইলিয়ামস ২৫ বছরের পেশাদার কেরিয়ারে এই নিয়ে মোট ৭ বার সিনসিনাটি মাস্টার্সের কোর্টে নামবেন৷ যদিও এখনও পর্যন্ত এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি তাঁর৷ আগের ৬ বারের মধ্যে তাঁর সব থেকে ভালো পারফরম্যান্স বলতে ২০১২ সালের সেমিফাইনালে ওঠা৷ ৫ বারের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন ভেনাস এবছর এসডব্লু নাইন্টিনে প্রথম রাউন্ডেই ১৫ বছরের মার্কিন কিশোরী কোরি গাফের কাছে পরাজিত হন৷

আরও পড়ুন: যুবির ব্যাটে আবার ঝড়, শেষ বলের থ্রিলারে হার টরন্টোর

অন্যদিকে, যে ছ’জন ডব্লুটিএ তারকা এখনও পর্যন্ত কেরিয়ার স্ল্যাম পূর্ণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন মারিয়া শারাপোভা৷ পাঁচটি গ্র্যান্ড স্ল্যামসহ মোট ৩৬টি ডব্লুটিএ খেতাব রয়েছে ৩২ বছর বয়সি রাশিয়ান তারকার ঝুলিতে৷ এই মুহূর্তে বিশ্বব়্যাংকিংয়ের ৮১ নম্বরে থাকা মারিয়া কাঁধের চোটের জন্য দীর্ঘ চার মাস কোর্টের বাইরে ছিলেন৷ চোট সারিয়ে টেনিস কোর্টে ফিরলেও উইম্বলডনের প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় সেট চলাকালীন ম্যাচ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন চোটের জায়গায় অস্বস্তি অনুভব করায়৷

২০১১ সালে সিনসিনাটি চ্যাম্পিয়ন হওয়া মাশা ২০১৪ সালে শেষবার অংশ নিয়েছিলেন এই টুর্নামেন্টে৷ সেবার সেমিফাইনালে হেরে ছিটকে যেতে হয়েছিল তাঁকে৷

আরও পড়ুন: প্রত্যাশাপূরণে ব্যর্থ হয়েও কেন অধিনায়ক পদে কোহলি, নির্বাচকদের প্রশ্ন গাভাসকরের

সিনসিনাটির টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর আন্দ্রে সিলভা দুই তারকার ওয়াইল্ড কার্ড প্রসঙ্গে জানান, ‘মারিয়া ও ভেনাস ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই টেনিস তারকা৷ দু’জনেই চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়৷ আমাদের বিশ্বমানের টুর্নামেন্টে ওদের ফিরিয়ে আনতে পেরে আমরা খুশি৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।