ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: ইভিএম সমস্যা প্রত্যেক ভোটেই শিরোনামে উঠে আসে। নির্বাচনে ইভিএম কারচুপির অভিযোগও ওঠে। এমনকি ইভিএম বন্ধ করার আর্জিও জানিয়েচিল বিরোধি দলগুলি। তাই এবার ইভিএমে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

ভোটিং মেশিন নিয়ে কোথায় যাওয়া হচ্ছে, তার উপর নজর রাখতে এবার GPS বসানো হবে তাঁদের গাড়িতে। সাত দফায় লোকসভা নির্বাচনের সময় সংরক্ষিত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট, যেসব গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে সেগুলি কোন রাস্তায় যাচ্ছে, তা চিহ্নিত করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে কর্মীদের গাড়িতে জিপিএস বসানো হবে।

গত বছরের শেষের দিকে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে হোটেল, রাস্তায় এবং এমনকি এমএলএর বাসভবনে ইভিএম পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। তাই এবার আগে থেকেই সতর্ক কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের তরফে, সমস্ত রাজ্যের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, সংরক্ষিত ইভিএম এবং পেপার ট্রেল মেশিন একদম শুরু থেকে কোথায় কোথায় ঘুরছে তা সাবধানে নজরে রাখতে হবে। এই উদ্দেশ্যেই, রিজার্ভ মেশিন বহনকারী সকল সেক্টর অফিসারের গাড়িতে GPS ট্র্যাকিং সিস্টেম বসিয়ে দেওয়া হবে।

বিভিন্ন সময়ে যখন ইভিএমগুলি হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাগুলি সামনে এসেছে, তখন নির্বাচন কমিশন দেখেছে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঘটনাগুলি ভোট কর্মীদের অবহেলার কারণেই ঘটেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভোটকর্মীরা যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করেননি।

২০১৪ সালের সংসদীয় নির্বাচনের সময় সারা দেশে প্রায় ৯.২৮ লক্ষ পোলিং স্টেশন তৈরি হয়েছিল। এবছর নির্বাচন কমিশন দেশে জুড়ে প্রায় ১০.৩৫ লক্ষ ভোটকেন্দ্র স্থাপন করবে। অর্থাৎ গত ভোটের থেকে যা ১০.১ শতাংশ বেশি।

এবারের নির্বাচনে প্রায় ৩৯.৬ লক্ষ ইভিএম ব্যবহার করা হবে এবং ১৭.৪ লাখ পেপার ট্রেল বা ভোটার যাচাইযোগ্য কাগজের ট্রেল মেশিন ব্যবহার করা হবে। সংরক্ষিত থাকা মেশিনও এর মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত। আগামী ১১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন।