নিউ ইয়র্ক: বর্তমানে অনেকের মধ্যেই নিরামিষ খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। কেউ কেউ পরিবেশের ভারসাম্যের কথা চিন্তা করে পশু হত্যা না করার জন্য এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ শরীর-স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে মাছ -মাংস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, নিরামিষ খাওয়া মোটেই খুব একটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বরং এতে স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়ে।

এত দিন যেমন মনে করা হত নিরামিষ বা ভেগান ডায়েটে হৃদযন্ত্র ভাল রাখতে সবচেয়ে কার্যকারী। মাংস খেলে বরং হার্টের ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু সম্প্রতি একটি গবেষণা করে জানা গেছে যে এর পুরোটা সত্যি নয়।

এই গবেষণা বলছে, নিরামিষ খাবার খেলে হার্টের অসুখের সম্ভাবনা কমতে পারে, কিন্তু বেড়ে যায় স্ট্রোকের সম্ভাবনা। দেখা গিয়েছে, যাঁরা আমিশাষী তাঁদের তুলনায় যাঁরা নিরামিষাশী বা ভেগান ডায়েট মেনে চলেন, তাঁদের স্ট্রোক হতে পারে বেশি। প্রায় ৪৮৮১৮ মানুষের উপর পরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

যাঁরা মাংস বেশি খান, যাঁরা মাছ খান কিন্তু মাংস খান না আর যাঁরা নিরামিষ বা ভেগান ডায়েটে বিশ্বাস করেন, এমন তিন ভাগে ভাগ করে এই গবেষণা চালানো হয়। ১৮ বছর ধরে চলে এই গবেষণা। এই সময়ের মধ্যে ২৮২০টি ইসকিমিক হার্ট ডিসিস ও ১০৭২টি স্ট্রোকের কেসের কথা জানা যায়।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এই গবেষণার রিপোর্ট অনুযায়ী, যাঁরা মাছ খান তাঁদের হার্টের অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা যাঁরা মাংস খান, তাঁদের চেয়ে ১৩% কম। নিরামিশাষী বা ভেগানদের সেই সম্ভাবনা ২২% কম। কিন্তু তাঁদেরই আবার স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে ২০% বেশি। হ্যামরেজিক স্ট্রোক যাতে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয় এদেঁর বেশি হতে পারে।

নিরামিশাষীদের পুষ্টির অভাব হয় অনেক সময়। জরুরি ভিটামিন থেকে তাঁরা বঞ্চিত হন। আর সেই কারণে স্ট্রোক হতে পারে। তবে এই প্রসঙ্গে আরও গবেষণার প্রয়োজন আছে বলেই মনে করা হচ্ছে। কোলেস্টেরল, ভিটামিন বি১২, অ্যামিনো অ্যাসিড, ফ্যাটি অ্যাসিডের ভূমিকা জানাও জরুরি বলে মনে করছেন গবেষকরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।