কলকাতা : লকডাউন ঘোষণা হতেই অতি সক্রিয় হয়ে ওঠে পুলিশ। রাস্তা থেকে সবজিওয়ালাকে তুলে নিয়ে আটকে রাখার অভিযোগ সিঁথি থানার বিরুদ্ধে। যদিও বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট থানার ওসি সৈকত নিয়োগী।

অভিযোগ, সিঁথি থানা এলাকার ৩০/এ বাসস্ট্যান্ড থেকে একজন সবজিওয়ালাকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। সবজি বিক্রির অপরাধে তাকে কয়েক ঘন্টা থানায় আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ।

এই বিষয়ে সিঁথি থানার ওসি সৈকত নিয়োগীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি জানান, কোনও সবজিওয়ালাকে তুলে আনা হয়নি। তবে লকডাউন লঙ্ঘন করায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অন্যদিকে লকডাউনে দুধ কিনতে বেরিয়ে পুলিশের হাতে মার খেয়ে মৃত্যু হল ৩২ বছরের এক ব্যক্তির। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ায়। পরিবার সূত্রের খবর, গুরুতর চোট নিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

৩২ বছরের ওই ব্যাক্তির নাম লাল স্বামী, যিনি লকডাউনের প্রথমদিনে বাড়ি থেকে দুধ কিনতে বেরিয়েছিলেন। মৃত ব্যাক্তির স্ত্রী অভিযোগ করেছেন, পুলিশ যখন জমায়েত সরাতে গিয়ে লাঠিচার্জ করলে সেইসময় তাঁর মৃত্যু হয়।

পুলিশের লাঠিচার্জের পরে তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত হিসেবে ঘোষণা করা হয়। হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সাউথ রাজ মুখোপাধ্যায় অবশ্য লাঠি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, মৃত ব্যক্তি অসুস্থ ছিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।