নয়াদিল্লি: সংসদ ভবনের ক্যান্টিনের খাবারে ভরতুকি আগেই বাতিল করা হয়েছিল। এবার সংসদের খাবারের মেনুতেও বদল আনা হচ্ছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে সংসদের ক্যান্টিনে এবার থেকে আর মিলবে না কোনও আমিষ পদ। নিরামিষ খাবারই খেতে হবে সাংসদদের। এমনকী সংসদের ক্যান্টিনের দায়িত্বও আইআরসিটিসি-র বদলে অন্য কোনও বেসরকারি সংস্থাকে এবার দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

সংসদে খাবার সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে আইআরসিটিসি। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরেই আইআরসিটিসির খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছিলেন সাংসদদের একাংশ। ক্রমেই অসন্তোষ বাড়ছিল আইআরসিটিসির বিরুদ্ধে। এবার তাই আইআরসিটিসির বদলে অন্য কোনও সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সূত্রের খবর, সংসদে খাবার সরবরাহ করার ক্ষেত্রে আপাতত যে দুটি সংস্থা এগিয়ে রয়েছে সেই দুটি সংস্থাই নিরামিষ খাবার বিক্রি করে। আর এতেই বেড়েছে জল্পনা। জানা গিয়েছে ওই দুই সংস্থার মধ্যে কোনও একটি সংস্থা যদি খাবার দেওয়ার বরাত পায় তবে নিরামিষ খাবার খেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে সাংসদদের।

২০১৯ সালের শেষের দিকে সংসদের খাবারে ভরতুকি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পকেটের কড়ি গুণেই এখন খাবার খেতে হয় সংসদের ক্যান্টিনে। কর্তৃপক্ষ এখন সংসদের খাবার সরবরাহের দায়িত্ব পুরোপুরি বেসরকারি হাতে তুলে দিতে চাইছে। কারও কারও মতে, সংসদে খাবার পরিবেশনের দায়িত্ব বেসরকারি হাতে গেলে খাবারের গুণমাণ বজায় থাকবে। ব্যবসা ধরে রাখতে খাবারের মান নিয়ে সমঝোতা করবেন না ব্যবসায়ীরা।

সত্যিই যদি শেষ পর্যন্ত সংসদ ক্যান্টিন বেসরকারি হাতে যায়, তবে খাবার খেতে আগের চেয়ে বাড়তি টাকাই গুণতে হবে সাংসদ থেকে শুরু করে সংসদ ভবনের অন্য কর্মী ও আধিকারিকদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।