নয়াদিল্লি: তাঁর স্বামীকে ৩৬ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ‘কোহিনূর’ বলে ডাকা হত। পাক জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই চলাকালীন শহিদ হন কৌস্তুভ রানে। ৩ বছরের সন্তান কোলে দুনিয়াটা অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল কনিকার কাছে।

কিন্তু স্বামী বলতেন, জীবন যখন তোমাকে নীচের দিকে ঠেলে দেবে, তুমি তখন উপরের দিকে ওঠার চেষ্টা চালিয়ে যাবে। তাই লড়াইটা শুরু করেছিলেন কৌস্তুভের মৃত্যুর পর থেকেই। অবশেষে এক বছর পর সেনাবাহিনীতে প্রবেশের পথ প্রশস্ত করলেন কনিকা।

স্বামীর পথই বেছে নিলেন তিনি। স্বাধীনতা দিবসে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মেজর কৌস্তভ রানের স্ত্রী কণিকা রানে।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সার্ভিস সিলেকশন বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন কণিকা। এরপর জাতীয় প্রতিরক্ষা অ্যাকাডেমিতে ৪৯ সপ্তাহ প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরই তিনি ভারতীয় সেনা বাহিনীতে যোগদান করতে পারবেন। ‘‌বীর নারী’ বলে সম্বোধন করা হচ্ছে তাঁকে।‌ কণিকা রানে সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘‌দেশের জন্য লড়াই করতে গিয়ে শহিদ হয়েছেন আমার স্বামী। স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন জানাতেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ভারতীয় সেনা বাহিনীতে যোগ দিয়ে আমি দেশের সেবা করতে চাই। স্বামীর ইচ্ছা পূরণ করতে চাই।’‌

রাষ্ট্রীয় রাইয়েলস ইউনিটের জওয়ান ছিলেন ২৯ বছরের কৌস্তভ রানে। কিছুদিন আগেই জম্মু কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার গুরেজ প্রদেশে নিয়ন্ত্রনরেখা পেরিয়ে জঙ্গীরা হঠাত্‍ আক্রমণ চালায় ভারতীয় সেনার ওপর। জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে প্রাণ হারায় কৌস্তভ রানে সহ চারজন জওয়ান।