ইসলামাবাদ: একসময় ভারতে এসে বলিউডে কাজ করেছিলেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী বীনা মালিক। উষ্ণতায় কাঁপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তবে বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি। গত কয়েক বছরে আর তাঁকে এই ইন্ডাস্ট্রিতে পাওয়া যায়নি। সেই বীনা মালিকই অপমান করলেন ভারতীয় সেনাকে।

আর্টিকল ৩৭০-র বিলুপ্তিকরন নিয়ে একের পর এক পাক অভিনেতা-অভিনেত্রীরা সরব হয়েছেন। বাদ যাননি বীনা মালিকও। কিন্তু এই বিল পাশের আগেই সরাসরি ভারতের সেনাবাহিনীকে অপমান করেছেন বীনা।

গত রবিবার নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে একটি ছবি পোস্ট করেন। আঙুলের ভঙ্গিতে এমন ইঙ্গিত করেছেন তিনি, যা অত্যন্ত অপমানজনক। ক্যাপশনে লিখেছেন #IndianArmy. সঙ্গে কাশ্মীরে নৃশংসতা চলছে বলেও ক্যাপশনে উল্লেখ করেছেন তিনি।

আর এই ট্যুইট করতেই তাঁকে আক্রমণ করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন ভারতীয়রা। কেউ লিখেছেন ‘লজ্জাজনক।’ কেউ আবার মনে করিয়ে দিয়েছেন কীভাবে বলিউডে কাজ করার সময় শরীর প্রদর্শন করেছিলেন তিনি।

এর আগে আর এক পাক অভিনেত্রী মাহিরা খান লেখেন, যে বিষয়ে আমি আলোচনা করতে চাই না, সেই বিষয়ে আমাকে খুব সহজেই চুপ করিয়ে দেওয়া হল৷ যেন বালির ওপর আঁচড় কাটার মতো… স্বর্গ জ্বলছে আর নিঃশব্দে আমার চোখ থেকে জল পড়ছে৷ মাহিরার এই ট্যুইটের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়েও শুরু হয়েছে ট্রোল৷

পাকিস্তানি অভিনেত্রী-মডেল মারওয়া হোকেন লেখেন, ‘UNHCR কোথায়? এটা অমানবিক৷ আমরা কী এই অন্ধকারেই বেঁচে রয়েছি৷ … যেসব নিয়ম-অধিকারের বিষয়ে বইয়ে আমরা পড়ি, সেসবের কথা আমাদের বলা হয়৷ তাদের কী কোনও অর্থ আছে?’ প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী৷

অভিনেত্রী হারিম ফারুক লেখেন, ‘বিশ্ব কেন চুপচাপ রয়েছে? কাশ্মীরে যে নৃশংসতা চলছে তা কেন অগ্রাহ্য করা হচ্ছে? আমাদের কী মানবিকতা আমরা বিসর্জন দিয়েছি? এখন আমাদের সরব হওয়ার সময়৷ কাশ্মীরের পাশে দাঁড়ানোর সময় এটা৷ এটা অন্যায়ের বিরোধিতা করার সময়৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.