কলকাতা: নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে ৫ দিন ধরে ধর্মতলায় রানি রাসমনি অ্যাভিনিউয়ে ধরনা দিচ্ছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ৷ সময় পেলেই ধরনামঞ্চে গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের উদ্বুদ্ধ করছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তৃণমূলনেত্রীকে পাশে পেয়ে কেন্দ্র-বিরোধিতায় নিত্য-নতুন স্লোগান তুলছেন দলের ছাত্র-যুবরা৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও নিয়ম করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বও উপস্থিত থাকছেন ধরনামঞ্চে৷

মঙ্গলবার ধরনামঞ্চে যান তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশেই দেখা যায় রাজ্যের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে৷ উপাচার্যের পাশাপাশি একাধিক কলেজের অধ্যক্ষকেও এদিন দেখা যায় তৃণমূলের ধরনামঞ্চে৷ সরকারি কলেজের উপাচার্য বা অধ্যক্ষরা কীভাবে একটি রাজনৈতিক দলের ধরনা কর্মসূচিতে অংশ নিলেন, তা নিয়েই এবার তৈরি হয়েছে নয়া বিতর্ক৷

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে প্রথম থেকেই কেন্দ্র বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার বিভাজনের রাজনীতি করছে বলেও অভিযোগ তৃণমূল সুপ্রিমোর৷ নাগরিকত্ব আইন ও পাশাপাশি এনআরসি বাতিলের দাবি তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

একইসঙ্গে এরাজ্যে কোনওভাবেই নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি কার্যকর করবেন না বলে সাফ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির প্রতিবাদে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী৷ তাঁরই নির্দেশে গত ৫ দিন ধরে ধর্মতলায় রানি রাসমনি অ্যাভিনিউয়ে নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে ধরনায় বসেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ৷

মঙ্গলবার সেই ধরনায় যোগ দেন তৃণমূলের মহাসচিব তথা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ ধরনামঞ্চে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেই দেখা গিয়েছে রাজ্যের তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকেও৷ ধরনামঞ্চে ছিলেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয় ও পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা৷

শুধু উপাচার্যরাই নয়৷ উপাচার্যদের পাশাপাশি এদিন টিমসিপির ধরনামঞ্চে দেখা গিয়েছে রাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষদের৷ সরকারি কলেজের উপাচার্য ও অধ্যক্ষদের রাজনৈতিক দলের ধরনামঞ্চে যোগ দেওয়া ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রবল বিতর্ক৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।