প্রত্যেক বাড়িতেই ঘড়ি অপরিহার্য। কিন্তু এর সঙ্গে বাস্তুশাস্ত্রের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। ঘড়ির কারণেই অনেক সময় আপনার জীবনে নেমে আসতে পারে দুর্ভাগ্য।

বাড়িতে কখনও ভুল করেও বন্ধ হয়ে যাওয়া ঘড়ি রাখবেন না। বলা হয় এতে নাকী জীবন থমকে যায়। আপনার কোনও কাজই সময়মতো হবে না, কোনও কাজেই সাফল্য পাবেন না।

কোন দিকে ঘড়ি রাখবেন, সেটাও জেনে রাখা জরুরি। ঘরের উত্তর, পূর্ব বা পশ্চিম দিকে ঘড়ি রাখুন। ভুলেও দক্ষিণ দিকে রাখবেন না। ঘরের উত্তর, পূর্ব বা পশ্চিম দিকে ঘড়ি রাখুন। ভুলেও দক্ষিণ দিকে রাখবেন না।

কখনও দরজায় বা বাড়ির প্রধান প্রবেশপথে ঘড়ি টাঙাবেন না। এতে বাড়িতে নেগেটিভ এনার্জি তৈরি হয়। সংসারে নেমে আসে অভাব, আশান্তি, কোনও কাজেই মেলেনা সাফল্য।

যত প্রিয়ই হোক, কখনও ভেঙে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়া ঘড়ি রাখবেন না। এতে সম্পর্কে ভাঙন ধরে। যত প্রিয়ই হোক, কখনও ভেঙে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়া ঘড়ি রাখবেন না। এতে সম্পর্কে ভাঙন ধরে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।