মুম্বই- করোনা আতঙ্কে ভুগছে প্রতিটি মানুষ। বন্ধ হয়েছে স্বাভাবিক জীবন যাপন। ভারতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা মুম্বইতে। প্রভাব পড়েছে বলিউডের উপরেও। তারকারা প্রত্যেকেই গৃহবন্দি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমশ ভক্তদের তাঁরা সচেতন করছেন। ঘর বন্দি থেকেও কী ভাবে ভালো থাকা যায় সেই পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোনও একের পরে এক পোস্টের মাধ্যম সচেতন করছেন সকলকে। শনিবার আরও একটি ছবি শেয়ার করেন দীপিকা।

সেখানে দেখা যাচ্ছে নাইটড্রেস পরে ফল ও ফ্রুটজুস খাচ্ছেন বলিউডের দিভা। ক্যাপশনে লিখেছেন কোভিড ১৯ -এর সময়ে প্রোডাক্টিভিটি। কিন্তু দীপিকার এই পোস্টেই বরুণ ধাওয়ানের কমেন্ট নজরে পড়েছে নেটিজেনদের।

দীপিকার এই পোস্টে মজা করে বরুণ লিখেছেন, তুমি সব সময়েই কেন নাইট স্যুটে থাকো। বরুণের এই মশকরায় নেটিজেনরাও তাল মিলিয়েছেন। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কোভিড ১৯-এর সঙ্গে লড়ার অন্যতম উপায় হল বাড়িতে থাকা ও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা।

আর তার জন্যই স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া প্রয়োজন। দীপিকাও সেই মতোই খাওয়াদাওয়া করছেন। প্রসঙ্গত, সারা বিশ্বে কোরোনা আতঙ্কে কাঁপছে মানুষ। ভারতেও ঢুকে পড়েছে এই মারণ ভাইরাস। দেশে এই মুহূর্তে আক্রান্তের সংখ্যা ৩২৪-এ পৌঁছেছে। মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের।

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন এখনও এদেশে স্টেজ ২-তে রয়েছে কোরোনা। আর এখনই পরিস্থিতি আয়ত্তে না আনা গেলে, আগামী ২ সপ্তাহে কোরোনা ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে এদেশে। সেই মতোই দেশের বিভিন্ন জায়গায় সতর্কতা জারি হয়েছে। বাংলাতে এই মুহূর্তে আক্রান্তের সংখ্যা ৩।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।