চেন্নাই: হতে পারে প্রথম দু’ম্যাচে ইয়ন মর্গ্যান তাঁকে দিয়ে মাত্র ৩ ওভার বল করানোয় নাক সিঁটকোচ্ছেন অনেকে। কিন্তু মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ হোক কিংবা ফর্ম হারানো কুলদীপ, নাইট অনুশীলনে ‘টার্বুনেটর’ হরভজনই নয়া মেন্টর তরুণ স্পিনারদের। শনিবার নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় তেমনই এক ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি পোস্ট করেছে নাইট রাইডার্স।

পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে গত মরশুমে মরুশহরে ১৭টি উইকেট নেওয়া বরুণ অনুশীলনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ব্যস্ত চল্লিশের হরভজনের সঙ্গে। ছবিতেই স্পষ্ট যে, ভারত তথা বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা স্পিনারের থেকে টিপস নিয়ে নিজেকে আরেও শানিয়ে নিচ্ছেন মিস্ট্রি স্পিনার। সম্প্রতি জাতীয় দলে ডাক পেয়েও ফিটনেসের গেরোয় স্কোয়াডে থাকা হয়নি। কিন্তু বরুণ যে অদূর ভবিষ্যতে ফের জাতীয় দলে সুযোগ পাবেন সেকথা বলাই বাহুল্য। তাই কেবল আইপিএলের জন্য নয়, আন্তর্জেতিক স্তরেও ভাজ্জির পরামর্শ যে তাঁকে সমৃদ্ধ করবে সেকথা ভালোই জানেন বরুণ।

নাইট রাইডার্সও দু’জনের আলোচনার মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছে, ‘হরভজন সিং’য়ের তুলনায় নৈপুণ্যে ভরা ভালো শিক্ষক খুব একটা হয় না।’ সাম্প্রতিক সময়ে ফর্ম হারানো কুলদীপকে চাঙ্গা করতে চায়নাম্যানকে নিয়ে আশার বাণী শুনিয়েছেন হরভজন। সুতরাং, একটা বিষয় পরিষ্কার যে নাইট শিবিরে ‘টার্বুনেটর’ কিন্তু রীতিমতো তালিম দিচ্ছেন বরুণ-কুলদীপদের। হরভজন কুলদীপকে নিয়ে বলেছেন, ‘যখন ও ভারতীয় দলে প্রবেশ করেছিল কেউ ওকে শিখিয়ে দেয়নি কীভাবে বল করতে হয়। ওঁর নিজের মেধা ওঁর বোলিং’য়ে প্রতিফলিত হয়েছে। সেই মেধা এখনও রয়েছে, সময়ের সঙ্গে ও আরও ক্ষুরধার হবে।’

একইসঙ্গে কুলদীপের বোলিং অ্যাকশনে কোনও ত্রুটি নেই বলেই জানিয়েছেন ‘টার্বুনেটর’। সময়ের সঙ্গে চায়নাম্যান বোলার ফের নাইটদের হয়ে এবং জাতীয় দলে নিজেকে মেলে ধরবে বলে বিশ্বাস ভাজ্জির। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে গত ম্যাচে অবাক হারের পর প্রবল সমালোচিত নাইট শিবির। রবিবার ডাবল-হেডারের প্রথম ম্যাচে আরসিবি’র মুখোমুখি মর্গ্যান-ব্রিগেড। গত ম্যাচের হার ভুলে কোহলির দলের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই কেকেআরের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.