কষিয়ে মাংস করবেন৷ তা কি আর পেঁয়াজ ছাড়া চলে? যত বেশি কষাবেন তত মাংসের স্বাদ বাড়বে৷ এমনকি ভেজ রান্নাতেও একটু পেঁয়াজ না পড়লে যেন মন খুঁত খুঁত করে৷ রান্না-বান্না পেঁয়াজ ছাডা় হয় না৷ পেঁয়াজ ছাড়া হলে তেমন স্বাদ হয় না বলেই মনে করেন বহু বাঙালিরা৷ কিন্তু এখন এসব ছেড়ে দেখে নিন রান্না সুস্বাদু করা ছাড়াও আর কী কী গুণাবলী রয়েছে পেঁয়াজের মধ্যে৷

ব্রুণ সমস্যার কমবেশি সকলেরই রয়েছে৷ বিশেষত অয়লি স্কিন যাদের তারা খুব ব্রুণের সমস্যায় ভোগেন৷ পেঁয়াজ নিয়ে মুখে নিত্যদিন ঘষুন৷ রস থাকা অবধি ঘষতে থাকুন৷ তারপর মুখ ধুয়ে ফেলুন৷ এতে ব্রুণ কমবে৷

শরীরের যেকোনও পোড়া জায়গায় পেঁয়াজ কেটে ঘষে দিন৷ প্রথমদিকে খানিক জ্বালা করলেও পরের দিকে একেবারে তা ঠিক হয়ে যাবে৷ এতে পোড়া দাগও বেশি গাঢ় হবে না৷

ত্বকে কালো দাগের জন্য দামী ক্রিম ব্যবহার করছেন? কিংবা পার্লারে, অন্য কোথাও গিয়ে ট্রিটমেন্ট করাচ্ছেন? তাহলে অবশ্যই এসব ছেড়ে দিন৷ মুখটা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ তারপর একটা পেঁয়াজ কেটে মুখে ভালো করে ঘষতে থাকুন৷ সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই উপকার পাবেন৷

শরীরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে নাক থেকে রক্ত পড়ে৷ এই সমস্যায় যখনই পড়বেন সেই মুহূর্তে পেঁয়াজ কেটে নাকের ঠিক নীচে ধরে রাখুন৷ দেখবেন কিছুক্ষণ পরই নাক থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে৷ তবে তার আগে এই সমস্যার জন্য ডাক্তারের সঙ্গে একবার কথা বলে নেওয়াই ভালো৷

কোথাও গাছের কাঁটা ফুটে গেলে পেঁয়াজের ছোট টুকরো নিয়ে একটু চেপে সেই জায়গায়টায় ধরে থাকুন৷ যদি কাঁটা ভেতরে অল্প ঢুকে গিয়ে থাকে তাহলে তা বেরিয়ে যাবে এবং কাঁটা ফোটার যন্ত্রণাও নিমেষে দূর হবে৷

ইনসমনিয়া এখন নতুন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ অসংখ্য মানুষের রাতে ঘুম হয় না৷ কাজের চাপে হোক বা ডিপ্রেশনে৷ এর মোক্ষম উপায় হল একটি পেঁয়াজের কাটা অংশ নিয়ে কয়েকবার ভালো করে শুকুন৷ তাতেই ঘুম চলে আসবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।