বারাণসী: ভোট শেষ হওয়ার পরই সামনে এসেছে এক্সিট পোল। বেশির ভাগ বুথ ফেরত সমীক্ষাই বলছে বিপুল সংখ্যক আসন নিয়ে ফের ক্ষমতায় আসছেন নরেন্দ্র মোদী। আর সেই সমীক্ষা দেখে ইতিমধ্যেই খুশির ঝড় গেরুয়া শিবিরে। তবে খোদ মোদীর কেন্দ্র বারাণসী থেকে শোনা যাচ্ছে ভিন্ন সুর।

বারানসীর জ্যোতিষী বলছেন , ঘুরে যেতে পারে এক্সিট পোলে ফল। রাহু, শনি ও বৃহস্পতিবার অবস্থান সেকথাই বলছে। তবে মোদীর খুব বেশি ভয়ের কারণ নেই।

পণ্ডিত ঋষি দ্বিবেদী জানিয়েছেন, গ্রহের অবস্থান গণতন্ত্রের স্থায়িত্বে প্রভাব ফেলতে পারে। এর জন্য প্রভাব পড়তে পারে ভোটের ফলাফলে। যার জেরে বিজেপি একক দল হিসেবে সবথেকে বেশি আসন পেলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া কঠিন হতে পারে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, গ্রহের এই ধরনের অবস্থানে যেই সরকার গড়ুক না কেন, তারা তাদের মেয়াদ সম্পূর্ণ করতে পারবে না। তাঁর দাবি, বিজেপির আসন সংখ্যা হবে ১৪০ থেকে ১৬০। আর এনডিএ জোট সর্বাধিক ২৪০টি আসন পেতে পারে। ইউপিএ-র হাতে থাকতে পারে ১১০-১৪০টি আসন।

দ্বিবেদী উল্লেখ করেছেন, সরকার গঠনে বড় ভূমিকা নিতে পারে সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজবাদী পার্টি।

পণ্ডিত দীপক মালব্যও জানিয়েছেন, নরেন্দ্র মোদীর ব্যক্তিগত চার্ট বলছে, সরকার গঠনে কিছু সমঝোতা করতে হতে পারে নরেন্দ্র মোদীকে। পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, মেঘালয়, মিজোরাম, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কেরলের দলগুলি সরকার গঠনে বড় ভূমিকা নেবে বলে জানিয়েছেন মালব্য।

তব জ্যোতিষীদের মতে, কংগ্রেস আসন বাড়ালেও ক্ষমতা থেকে অনেক দূরে থাকবে। গণেশ প্রসাদ মিশ্র নামে এক জ্যোতিষী বলেন, সপ্তদশ লোকসভায় এমন অনেক মুখ থাকবে না, যারা ষোড়শ লোকসভায় ছিল।

তবে জ্যোতিষীদের বিভিন্ন মত থাকতেই পারে। আসল ফলাফলের জন্য অপেক্ষা আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার।