স্টাফ রিপোর্টার, বারুইপুর: জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা, তার জেরেই এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল যুব তৃণমূল সমর্থিত নির্দল কর্মীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি মারধর করা হয় তৃণমূল কর্মী বিভাস সর্দারকে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বাসন্তী থানার ফুলমালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতের মনসাখালী গ্রামে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়৷ বাসন্তী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ বছর পাঁচেক ধরে মনসাখালী খালপাড়ে ঘর করে বাস করছেন বিভাস সর্দার ও তার পরিবার। এলাকার তৃণমূল নেতা তথা এই ফুলমালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান আফতার আলি মোল্লা এই জমিটিতে ঘর করে বসবাস করার জন্য দিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মী বিভাস সর্দারকে।

আরও পড়ুন : জাতীয় সড়কের দুধার থেকে সরে যেতে হবে দোকান, রেস্তোরাগুলিকে

কিন্তু এবার পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল কর্মীদের কাছ থেকে কার্যত পঞ্চায়েতটি ছিনিয়ে নেন যুব তৃণমূল ও নির্দল কর্মীরা। অভিযোগ পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের পর থেকেই এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা করা হচ্ছে। আর সেই কারণেই তৃণমূল কর্মী বিভাস সর্দারের বাড়িতে চড়াও হয় যুব তৃণমূল ও নির্দল কর্মীরা৷ মারধরের পাশাপাশি বাড়িটি ভাঙচুর করে ধূলিসাৎ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সৃজন প্রধান, পীযূষ প্রধান নামের যুব তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে।

যদিও অভিযুক্তদের দাবি তাদের জমিই দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে অন্যায়ভাবে দখল করে রেখেছেন বিভাস ও তার পরিবার। জমি ফেরত চাইতেই যুব তৃণমূল কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি নিজেদের বাড়ি নিজেরাই ভাঙচুর করে এই সমস্ত যুব তৃণমূল কর্মীদের নামে দোষারোপ করছে বলে অভিযোগ।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালে বাসন্তী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ৷

আরও পড়ুন : ট্রেনে উঠতে গিয়ে আচমকা জোর ঝাঁকুনি, তারপর….

অন্যদিকে ঘটনার পর ফুলমালঞ্চ গ্রামপঞ্চায়েতের বর্তমান উপপ্রধান শঙ্কর সরদার নিজে এসে আক্রান্ত বিভাস সর্দারের পরিবারকে চাল, ডাল সহ যাবতীয় জিনিষপত্র তুলে দেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল নেই৷ নেহাতই জমি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে গণ্ডগোলের জেরে ঘটনার সূত্রপাত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।