সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: নাকি প্রেম সপ্তাহ চলছে। যা শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি, বিশ্বজোড়া খ্যাতি ভ্যালেন্টাইনস ডে হিসাবে। প্রেমৎসব নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া টু আনসোশ্যাল মাধ্যমে বিরাট আলোচনা। এমন প্রেম উজ্জাপনের দিনই বার বার নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে। কারণ? উৎসবের নামে ‘মোচ্ছব’ কেমন সে ইতিহাস? পাশ্চাত্যের ক্ষেত্রে জন্মদিনের উৎসব, ধর্মোৎসব সবক্ষেত্রেই ভোগের বিষয়টি মুখ্য। তাই গির্জা অভ্যন্তরেও মদ্যপানে তারা কসুর করে না।

খৃস্টীয় এই ভ্যালেন্টাইন দিবসের চেতনা বিনষ্ট হওয়ায় ১৭৭৬ সালে ফ্রান্স সরকার কর্তৃক ভ্যালেইটাইন উৎসব নিষিদ্ধ হয়। ইংল্যান্ডে ক্ষমতাসীন উৎসব পিউরিটানরাও একসময় প্রশাসনিকভাবে এ দিবস উদযাপন করা থেকে বিরত থাকার জন্যে নিষিদ্ধ ঘোষনা করে। এছাড়া অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিবস প্রত্যাখ্যাত হয়। প্রসঙ্গত , ভ্যালেন্টাইন শুধুমাত্র একমাত্র সাধু নন যার নামে কোনও দিন উৎসব পালিত হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটি যেমন সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামে প্রেমের ট্যাগ পেয়েছেন।

তেমনই ২৩ এপ্রিল – সেন্ট জজ ডে, ১১ নভেম্বর – সেন্ট মার্টিন ডে, ২৪ আগস্ট – সেন্ট বার্থোলোমিজম ডে, ১ নভেম্বর – আল সেইন্টম ডে, ৩০ নভেম্বর – সেন্ট এন্ড্রু ডে, ১৭ মার্চ – সেন্ট প্যাট্রিক ডে। ভ্যালেন্টাইন ডে ঘোষিত হওয়ার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস : ২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইন’স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার-অভিযোগে তৎকালীন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন।

এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন’স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন’ দিবস ঘোষণা করেন। আরও একটি মত অনুযায়ী, রোম সম্রাট ক্লডিয়াস মনে করতেন বিবাহ করলে ছেলেরা ধৈর্যশীলতা হারাবে। তাই তিনি বিবাহ বিরোধী ছিলেন। সেন্ট ভ্যালেন্টাইন তখন গোপনে ছেলে মেয়েদের বিবাহ দিতে শুরু করেন। তারপরের কাহিনী একই। বন্দি হন সাধক। মৃত্যুদণ্ড এবং……..

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা