বিশেষ প্রতিবেদন:  ভিডিওটি দেখলে অনেকেই নস্টালজিক হয়ে পড়বেন। ভারতের দুই প্রিয় ব্যক্তিত্ব। দু’জনেই আর নেই। ভারতকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে দু’জনের অবদান মনে রেখেছে দেশবাসী। একজন চলে গিয়েছে, বছর কয়েক আগে। আরেক জন গিয়েছেন বছর দুয়েক হয়েছে। কিন্তু ভারতের কাছে তাঁরা দু’জনেরই কখনও ‘মৃত্যু’ হবে না। একজন সদ্যপ্রয়াত অটল বিহারী বাজপেয়ী, অপরজন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালাম আজাদ।

এই দু’জনের তত্ত্বাবধানেই একদিন ভারতকে পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন রাষ্ট্র বলে চিহ্নিত করা হয়েছিল। বোকা বনে গিয়েছিল আমেরিকার মত দেশ। শুধু সেটাই নয়, ভারতকে শিক্ষার আলো দেখাতেও বিশেষ অবদান রেখেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী।

‘সর্ব শিক্ষা অভিযান’ এক প্রবাদ হয়ে উঠেছিল। সেই প্রজেক্টের বিজ্ঞাপনেই একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল দু’জনকে। বাজপেয়ীর কণ্ঠে ”সাবেরা হো গ্যায়া হ্যায়..” বলে শুরু বিজ্ঞাপন।

শঙ্কর-অ্যাহসান-লয়ের কম্পোজিশনে ”স্কুল চলে হাম” গানটা তখন চ্যানেলে বেশ পরিচিত। আর একদল ছাত্রছাত্রীকে চারপাশে নিয়ে পাঠ দিচ্ছেন বিখ্যাত বিজ্ঞানী তথা দেশের রকেট সায়েন্সের প্রাণ পুরুষ আব্দুল কালাম আজাদ।

শেখাচ্ছেন, Learning is creativity, Creativity leads to thinking, Thinking provides knowledge.

দুই ব্যক্তির প্রয়াণে এই গভীর শূন্যতা বোধ হয় পূরণ করতে পারবে না কেউই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.