জম্মু: অতিমারির কারণে স্থগিত হয়েছিল শ্রী মাতা বৈষ্ণোদেবী যাত্রা। ঠিক পাঁচমাস পরে ভক্তদের জন্য খুলছে মন্দিরের দরজা। অগাস্টের ১৬ তারিখ থেকে শুরু হবে পবিত্র বৈষ্ণোদেবী যাত্রা, এমনটাই জানিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন।

ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ শ্রী মাতা বৈষ্ণোদেবী শ্রাইন বোর্ড। নিয়মিতভাবে মন্দির চত্বরকে স্যানিটাইজ করার কাজ চলছে। ভক্তদের স্বাগত জানানোর ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ অতিমারির মোকাবিলার সব নিয়ম মেনে চলা হচ্ছে।

মন্দির দর্শনের ক্ষেত্রে গাইডলাইন তৈরি করেছে প্রশাসন। প্রতিদিন জম্মু ও কাশ্মীরের বাইরে থেকে আসা ৫০০ জনকে করোনা মোকাবিলার সব নিয়ম মেনে মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে তীর্থযাত্রীদের রেজিস্ট্রেশন শুধুমাত্র অনলাইনে করা সম্ভব হবে। কারেন্ট কাউণ্টারের ভিড় এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে।

শ্রী মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দির পুনঃরায় খুলে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে কাটরার এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, “এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে এলাকায় কিছু কাজ বাড়বে। যদিও তিনি বলেছেন সরকারের বাইরে থেকে আরও মানুষদের এখানে আসার অনুমতি দেওয়া উচিত যদি তাঁরা কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট দেখাতে পারেন”।

প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছরে কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকেও বৈষ্ণোদেবী যাওয়ার রাস্তায় একাধিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। বৈষ্ণোদেবীকে দীর্ঘদিন ধরেই সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা করেছিল কেন্দ্র। সেই মত একাধিক প্রকল্পও নেওয়া হয়। চালু করা হয় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। দিল্লি থেকে কাটরা রুটে চালু করা হয় এই এক্সপ্রেস ট্রেনটি। যে পথ পেরোতে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগত, এখন সেখানে পৌঁছতে ৮ ঘণ্টা সময় লাগে।

২০১৯ সালে গোটা দেশের মধ্যে পরিচ্ছন্নতম মন্দিরের তকমা পেয়েছে বৈষ্ণোদেবী। সার্বিক ভাবেই এই মন্দির শীর্ষ স্থান লাভ করেছে৷ এর পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা, শৃংখলা-সবকিছুর মাপকাঠিতেই বৈষ্ণোদেবীকে শীর্ষে রেখেছে তালিকাটি৷ বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে মন্দিরের নিকাশি ব্যবস্থা৷ বিগত কয়েক বছর ধরেই শ্রাইন বোর্ড এই নিকাশি ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সচেষ্ট ছিল তাদের পরিশ্রম সফল, তা বলাই বাহুল্য৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.