নয়া দিল্লি: ১৩ ই এপ্রিল অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে চৈত্র নবরাত্রি শুরু হতে চলেছে। তবে মহামারীর দৌরাত্ম্যে সেই যাত্রা নিয়ে কিছু নিয়ম লাগু করা হয়েছে যাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে। কাটরা স্থিত মা বৈষ্ণ দেবী শ্রাইন বোর্ড এর মুখ্য কার্যকরী অধিকারী রমেশ কুমার ৯ ই এপ্রিল নবরাত্রি উপলক্ষ্যে যাবতীয় ব্যবস্থার পর্যালোচনা করেন একটি বিশেষ বৈঠকে।

সেই বৈঠকে মাতা বৈষ্ণ দেবী যাত্রা সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে স্যানিটাইজেশন, মেডিকেয়ার আর বিশেষ উপোস সংক্রান্ত ফলাহার, ২৪ ঘণ্টা জলের বন্দোবস্ত ও বিদ্যুতের সুব্যবস্থার ব্যাপারে আশ্বস্ত কোটরে হয়েছে বোর্ডের তরফ থেকে।

এর পাশাপাশি আবার পুণ্যার্থীদের জন্যে গ্রহণ করা সুবিধেগুলির উপর সর্বদা নজর রাখতে ওই বিশেষ শ্রাইন বোর্ডের একদল অধিকারী সমগ্র যাত্রাপথে উপস্থিত থাকবেন যাতে পুণ্যার্থীদের কোনরকম কোনো স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বা অন্য সমস্যা না হয়।

আরো পোস্ট-নীল ঠাকুর কে…কেন মায়েদেরই করতে হয় ব্রত

আগের বারের মতো এই বারও মাতা বৈষ্ণ দেবীর ভবনের সাজসজ্জা, আশেপাশের অঞ্চলটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, আরতির ব্যবস্থা সব করা হয়েছে। শারদীয় নবরাত্রির মতই চৈত্র নবরাত্রিতেও সকাল ও সন্ধেবেলায় অটকা আরতির ও যাত্রীদের মনোরঞ্জনের জন্যে ভজন-কীর্তনের মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হবে।

শান্তি, সমৃদ্ধি ও মানবতার স্বার্থে নবরাত্রি চলাকালীন মাতা বৈষ্ণ দেবীর পবিত্র তীর্থস্থানে শত চণ্ডী মহা যজ্ঞেরও যাবতীয় আয়োজনের ব্যবস্থাগুলো পর্যালোচনা করা হয়েছে। এই যজ্ঞটি নবরাত্রি চলাকালীন প্রতিদিন সম্পন্ন হবে। এবার করোনা প্রটোকলের উপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

যাত্রীদের জন্যে সামাজিক দূরত্ব বিধি পালন ও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যাত্রার দরুন কোনো যাত্রী কোনো সমস্যায় পরলে তার জন্যে সে মেডিকেয়ার থেকে সুবিধা লাভ করতে পারবে। এছাড়াও থার্মাল স্ক্রিনিং তো রয়েছেই। তবে যাত্রীরা দীর্ঘ যাত্রাপথে জল, ছাতা, শুকনো ফল বা খাবার নিজেরা বহন করলেই ভালো। কখন কী দরকার পড়ে তা কেউ বলতে পারে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.