ওয়াশিংটন ও লন্ডন: আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মানবদেহে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ হয়েছে। আরও নতুন গবেষণার জন্য বিজ্ঞানীরা প্রস্তুত।

পনের জন নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানীদের একটি দল এবার স্বেচ্ছায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত হবার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের উদ্দেশ্য পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখা। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিজ্ঞান এবং অন্যান্য ক্ষেত্রের সাথে যুক্ত শতাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি ইউএস ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের প্রধানের কাছে লেখা খোলা চিঠিতে সই করেছেন।

এই চিঠিতে বলা হয়েছে, তথাকথিত এই চ্যালেঞ্জ ট্রায়াল করোনাভাইরাস প্রতিরোধের ভ্যাকসিন তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাবে। লক্ষ লক্ষ জীবন বাঁচাতে সাহায্য করবে।

বিশ্ব জুড়ে ২৩টি করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার পরীক্ষায় বিজ্ঞানীরা নাওয়া খাওয়া ভুলেছেন। এই টিকাগুলির দিকে তাকিয়ে মানব সমাজ। ইতিমধ্যে ইংল্যান্ড ও রাশিয়া জানিয়েছে, দু মাসের মধ্যে টিকা বের হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

এছাড়াও করোনা প্রতিরোধী কিছু ওষুধ নিয়েও চলছে পরীক্ষা। সেক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রেমডেসিভির, রাশিয়ার অ্যাভিফ্যাভিরের সফলতা বেশি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। ইংল্যান্ড জানিয়েছে, কম খরচের পরিচিত ওষুধ ডেক্সামেথাসন করোনা রোগীর জন্য ভালো কার্যকরী।

টিকা এবং ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে ট্রায়াল দেয়ার কাজ চলছে। বিবিসি জানাচ্ছে, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কর্মসূচির পরিচালক্র দাবি, স্বেচ্ছায় টিকা গ্রহণ করে দেহে করোনার জীবাণু প্রবেশ করানোর পদ্ধতি সাফল্য দেখাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.