লন্ডন: যত দিন যাচ্ছে একটি একটু করে প্রতিষেধক নিয়ে আশা জাগছে। তবে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে কাজ শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। আর সেই ফলাফল খুব তাড়াতাড়ি হাতে আসবে বলে জানা যাচ্ছে।

ইউনিভার্সিটির মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক স্যার জন বেল জানিয়েছেন, কয়েক’শ মানুষকে ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়েছে। এটি অনুমোদন পেলেই প্রচুর পরিমাণ ভ্যাক্সিন তৈরি করাটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে।

গত এপ্রিল মাসের শেষে মানুষের উপর প্রথম প্রতিষেধকের পরীক্ষা শুরু করে ইউরোপে। অক্সফোর্ডে প্রথম এই পরীক্ষা হয়। এই পরীক্ষা চালানোর জন্য ৮০০ জনকে বেছে নেওয়া হয়।

এই ৮০০ জনের মধ্যে অর্ধেক কে দেওয়া হচ্ছে করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক ও বাকিদের দেওয়া হবে কন্ট্রোল ভ্যাকসিন যা তাদেরকে মেনিনজাইটিস থেকে রক্ষা করবে, করোনাভাইরাস থেকে নয়।

এই পরীক্ষা পদ্ধতি অনুযায়ী কাকে কোন ভ্যাকসিন দেওয়া হবে তা তাঁরা জানতে পারবেন না, জানবেন শুধুমাত্র চিকিৎসকেরা। প্রথম যে দুজনের শরীরে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয় তাদের মধ্যে একজন হলেন এলিসা গ্রানাতু। তিনি নিজেও পেশায় একজন বিজ্ঞানী, তাই বিজ্ঞান কে সমর্থন করার জন্য এগিয়ে এসেছেন তিনি।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সারা গিলবার্ট এর তত্ত্বাবধানে একটি টিম গত তিন মাসে এই ভ্যাকসিন তৈরি করেছে। আর এই ভ্যাক্সিন নিয়ে তাঁরা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী বলে জানিয়েছেন সারা।

যদিও তিনি জানিয়েছেন যে পরীক্ষা করে তবেই তথ্য সংগ্রহ করতে হবে এরপরই বলা যাবে যে ওই ভ্যাকসিন মানুষের উপর কতটা কাজ করছে। তবে ভ্যাকসিন যে কাজ করবে সে ব্যাপারে ৮০ শতাংশ নিশ্চিত অধ্যাপক।

একটি সাধারণ জ্বরের ভাইরাস থেকে এই ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়েছে, যা শিম্পাঞ্জির শরীর থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এবার সেটিকে মডিফাই করা হয়েছে যাতে ওই ভাইরাস নতুন করে মানুষের শরীরের সংক্রমণ ছড়াতে পারে। এর আগে অক্সফোর্ডের টিম মার্সের ভ্যাকসিন তৈরি করেছিল, সেটাও এক ধরনের করোনাভাইরাস। তাই এবারের ফলাফল নিয়েও আত্মবিশ্বাস হারাচ্ছেন না তারা।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প