চেন্নাই: অবেশেষে মুক্ত জয়ললিতার বান্ধবী ভি কে শশীকলা। বন্দিদশা কাটিয়ে বুধবার ছাড়া পেলেন তিনি। প্রসঙ্গত দুর্নীতির অভিযোগে শশীকলার চার বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল। বুধবার তার মেয়াদ শেষ হল।

বুধবার বেলা ১২টায় জেল থেকে ছাড়া পেলেন শশীকলা। ২০১৭ সালে শশীকলার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে ৬৬ কোটি টাকার আয় বহির্ভূত সম্পত্তি রয়েছে তাঁর। সেই মামলায় গ্রেপ্তার হন জয়ললিতার বান্ধবী। আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। তারপর চার বছর কারাবাসের সাজা হয় তাঁর। এমনকী জয়ললিতার মৃত্যুর ক্ষেত্রেও তাঁর হাত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। জেলে থাকাকালীনও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ জেলে নাকি তাঁকে VVIP সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার দিন সাতেক আগে করোনায় আক্রান্ত হন শশীকলা। শ্বাসকষ্টের সমস্যাও হচ্ছিল তাঁর। এর ফলে কয়েকদিন তাঁকে বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়। ICU-তে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। প্রাক্তন AIADMK নেত্রী কবে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়। তখন নির্দল বিধায়ক তথা জয়ললিতার ভাইপো টি টি ভি দিনাকরণ জানিয়েছিলেন চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই শশীকলার ক্ষেত্রে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এরপর জানা যায় নেত্রীর শারীরিক অবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল। তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৭ শতাংশ। তবে বর্তমানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন শশীকলা। শোনা গিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ তাঁর মুক্তির সমস্ত নিয়ম হাসপাতালেই সম্পূর্ণ করেন।

এদিকে, সামনেই তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলি তার তোড়জোড় শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে শশীকলার মুক্তি নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। শশীকলার মুক্তি ও রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন নির্বাচনের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। AIADMK দলে একসময় দাপুটে নেত্রী ছিলেন তিনি। তাঁর মুক্তির পর দলে তাঁর প্রভাব ও প্রতিপত্তি আগের মতোই থাকে কিনা, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এছাড়া তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। কার্যত তিনি ছিলেন জয়ললিতার ছায়াসঙ্গী। কিন্তু জয়ললিতার মৃত্যুর অভিযোগ যখন তাঁর উপর উঠল তখন অনেকেই তাঁর বিরুদ্ধে চলে গিয়েছিলেন। সেই অভিমান এখন কাটে কিনা সেটাই দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।