লখনউ: বড়সড় নাশকতার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ। উত্তরপ্রদেশ এসটিএফ-এর জালে ২ পিএফআই (Popular Front of India) সদস্য। পুলিশের দাবি, বসন্ত পঞ্চমীতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু ধর্মীয় নেতাদের উপর আক্রমণের ছক ছিল ধৃতদের। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র। ধৃত দু’জনের নাম আনসাদ বদরুদ্দিন ও ফিরোজ খান।

জঙ্গি নাশকতার ছক ভেস্তে দিল উত্তরপ্রদেশ পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। রাজ্য়ের বিভিন্ন প্রান্ত হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির নেতাদের উপর হামলার ছক কষেছিল দুই পিএফআই-এর সদস্য। হিন্দু নেতারাই প্রধান টার্গেট ছিল তাদের।

সেই উদ্দেশ্যেই নিজেদের কাছে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক, ডিটোনেটর ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করেছিল এই দু’জন। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের ছক কষেছিল ধৃতরা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দু’জনকেই গ্রেফতার করেছে উত্তরপ্রদেশ এসটিএফ। উদ্ধার করা হয়েছে বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্রগুলিও।

ধৃত আনসাদ বদরুদ্দিন ও ফিরোজ খান কেরলের বাসিন্দা। উত্তরপ্রদেশে বিস্ফোরণের আগে দলে সদস্য জোগাড়ের কাজ করছিল ধৃতরা। ধৃতদের জেরা করে এমনই তথ্য মিলেছে বলে জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের এডিজি, আইনশৃঙ্খলা প্রশান্ত কুমার।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ধৃতদের কাছ থেকে বিস্ফোরক, ডিটোনেটর, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃত দুই পিএফআই সদস্যকে উত্তরপ্রদেশের গুদাম্বা এলাকার কুকরাইল কুকরাইল ট্রাইসেকশন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারা বসন্ত পঞ্চমীতে বিভিন্ন স্থানে হিন্দু নেতাদের উপর হামলা ছক কষেছিল।

হিন্দু নেতাদের উপর হামলার পরিকল্পনার পাশাপাশি মগজধোলাইয়ের পর দলে নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করানোই মূল উদ্দেশ্য ছিল ধৃতদের। গত এক বছরে, ১২০টিরও বেশি পিএফআই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে গত বছরের গোড়ার দিকে দেশজুড়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলে। দেশের নানা প্রান্তে এইবিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সেই বিক্ষোভে মদত দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে।

কেন্দ্রবিরোধী বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে অনুদানেরও ব্যবস্থা করেছিল এই সংগঠনটি। সেই সময় তজন্তে নেমে এমনই কিছু তথ্য এসেছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের হাতে। তারপরেই পিএফআই-কে নিষিদ্ধ করার সওয়াল করেছিল উত্তপ্রদেশ পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.