উত্তরপাড়া: বিধানসভা ভোটের মুখে ফের বেসুরো আরও এক তৃণমূল বিধায়ক। উত্তরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। তাঁরই দলের নেতা তথা স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে তাঁকে পরিকল্পনা করে হারানো চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন প্রবীরবাবু। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাস্তার কাজ ফেলে রাখা হয়েছে, তাঁকে হারানোর চেষ্টা করছেন দলেরই নেতা, ভোটের মুখে এমনই অভিযোগ তুলেছেন প্রবীর ঘোষাল।

আবারও অস্বস্তি তৃণমূলের। এবার দলেরই নেতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন উত্তরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। উত্তরপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত কানাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। তৃণমূল পরিচালিত এই পঞ্চায়েতের প্রধান আচ্ছেলাল যাদব।

প্রবীর ঘোষালের অভিযোগ, ‘‘ইচ্ছাকৃতভাবে ওই পঞ্চায়েত এলাকায় রাস্তা তৈরির কাজ ফেলে রাখা হয়েছে। ওই রাস্তায় হেঁটে যাওয়াও কষ্টের, গাড়ি চলা তো দূরের কথা। রাস্তার হাল নিয়ে দিদিকে বলো, দুয়ারে সরকার থেকে শুরু করে সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। কোনও কাজ হয়নি।’’

প্রবীরবাবু আরও বলেছেন, ‘‘কোথাও কিছু বলে কাজ না হওয়ায় এবার বিরক্ত হয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছি। দলেরই অনেকে আমাকে বলছেন, আমাকে হারানোর জন্যই নাকি রাস্তার কাজ ফেলে রাখা হচ্ছে।’’

অন্যদিকে, যাঁর বিরুদ্ধে প্রবীর ঘোষালের এই অভিযোগ সেই কানাইপুর পঞ্চায়েতের প্রধান আচ্ছেলাল যাদব পাল্টা বিধায়কের বিরুদ্ধেই সুর চড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, ‘‘দলের কাজে ময়দানে নামতে ওনাকে দেখা যায় না। উনি গয়নার মতো বিধায়কের পদে বসে রয়েছেন।’’ যদিও হুগলিতে শাসকদলের অন্দরে প্রকাশ্যে এই বাদানুবাদ চললেও বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

এদিকে, বিধানসভা ভো যত এগোচ্ছে তত ঘর ভাঙছে তৃণমূলের। একের পর এক বিধায়ক, নেতা যোগ দিচ্ছেন পদ্ম শিবিরে। এদিনই দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য।

বাংলায় বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়ের হাত থেকে বিজেপির পতাকা তুলে নেন তিনি। বিজেপিতেযোগ দিয়েই পুরনো দলের প্রতি তীব্র বিষোদগার করেছেন অরিন্দম। তিনি বলেন, ‘‘তৃণমূলে কোনও সুযোগ কাজের পাইনি। মানুষের জন্যে কাজ করতে চাই। আর সেই কারণেই তাঁর বিজেপিতে যোগ দিলাম।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।