নয়াদিল্লি: প্রকৃতির বুকে কেবল মানুষ নয় বাস একাধিক প্রানীর। তাদের মধ্যে বেশ কিছু প্রানী এখনও মানুষের ধারনার বাইরে। সম্প্রতি এই ধরনের এক বিশেষ মথ দেখা গেল উত্তরাখণ্ডের গাড়োয়ালে। যা নিয়ে ইতিমধ্যে জীব বিজ্ঞানীদের মধ্যে দেখা গিয়েছে উৎসাহ। এই প্রথম ওই জাতীয় মথ দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ওই মথ নিয়ে শুরু হয়েছে গবেষণা।

জানা গিয়েছে ওই বিশেষ ধরনের মথের নাম achelura bifasciata। হিমালয়ের কোলে প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের অজ্ঞাত পরিচয় প্রানীর দেখা মেলে। আর এবারে এই মথ নিয়ে দেখা গিয়েছে তীব্র আকর্ষণ। বিশেষজ্ঞদের তরফে জানা গিয়েছে এই মথটি শেষবার দেখা গিয়েছিল ১৮৯০ সালে কুমায়ুন অঞ্চলে।

ঠিক তার এত বছর পরে ফের দেখা গেল গাড়োয়ালের স্রীদেব সুমন তিতলি পার্কে। সঞ্জয় সন্ধি নামের এক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন এর আগে ওই মথকে গাড়োয়ালে দেখা যায়নি। তাই কিভাবে ওই এলাকাতে ওই মথ এল তা নিয়ে শুরু হয়েছে গবেষণা। তিনি আরও জানিয়েছেন এর আগে ১৮৯০ সালে এক ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ নৈনিতালে যে সকল প্তং দেখা গিয়েছিল তার একটি রেকর্ড তৈরি করেছিলেন। তবে এই মথ এই প্রথমবার দেখা যাওয়াতে অবাক সকলেই।

এছাড়াও বিশেষজ্ঞদের নজরে এসেছে এক বিশেষ প্রজাপতি। যার নাম tawny rajah।এই বড় এবং কমলা রঙ এর প্রজাপতি খুব কম গাড়োয়াল পাহাড়ি এলাকাতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু একাধিক বিশেষজ্ঞের তরফে জানা গিয়েছে বিগত ১৫ দিন ধরে বেশ কিছু অজ্ঞাতপরিচয় মথ দেখা গিয়েছে।

ইতিমধ্যে এই নিয়ে বিশেষজ্ঞদের তরফে শুরু হয়েছে গবেষণা। পাসশাপাশি অনেকেই অবাক হয়েছেন। মূলত এই মথ পাওয়া যায় উত্তর পূর্বে। সেখান থেকে কিভাবে গাড়োয়ালে এল তাই ভাবাচ্ছে সকলকে। প্রায় কয়েক বছর পরে দেখা মিল এই মথের। এও মনে করা হচ্ছ ওই এলাকাতে যারা প্রকৃতি সংরক্ষনের কাজ করেছেন তাদের পরিশ্রমের কারণেই দেখা গিয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে উত্তেজনা।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।