প্রতীকী ছবি

দেরাদুন : খেতে বসে ছিলেন তিনি৷ বুঝতে পারেননি পাশে বসে রয়েছে তথাকথিত উচ্চবর্ণের মানুষরা৷ রবিবার এই ঘটনার জেরে প্রাণ দিতে হল বছর ২৩শের এক দলিত ব্যক্তিকে৷

উত্তরাখণ্ডের তেহরি জেলার এই ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে৷ এক বিয়েবাড়ি অনুষ্ঠান চলাকালীন খেতে বসানো হয় নিমন্ত্রিতদের৷ কিন্তু আচমকাই একদল ব্যক্তি দলিত বলে তাঁর ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ৷ জিতেন্দ্র দাস নামের ওই ব্যক্তি গুরুতর আহত হন৷ সঙ্গে তাঁর পরিবারও ছিল৷ পরিবারের অভিযোগ জিতেন্দ্র উচ্চবর্ণের মানুষদের পাশে খেতে বসেছিলেন৷ সেই অপরাধ সহ্য হয়নি কারোর৷ বেধড়ক মারধর করা হয় জিতেন্দ্রকে৷

আরও পড়ুন : ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার জনপ্রিয় টিভি তারকা

সঙ্গে সঙ্গে আহত অবস্থায় তাঁকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটেন পরিবারের লোকজন৷ প্রাথমিক চিকিৎসার পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় শ্রী মহন্ত ইন্দিরেশ হাসপাতালে৷ কিন্তু রবিবার সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর৷

টাইমস অফ ইণ্ডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী জিতেন্দ্র দাসের মৃত্যুর পর হাসপাতালে বাইরে বিক্ষোভে বসেন তাঁর পরিবার ও গ্রামের বাসিন্দারা৷ মৃতের দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়৷ মৃতের পরিবারের অভিযোগ, একজন দলিতের বিয়েতেই এই মারধরের ঘটনা ঘটে৷ কিন্তু কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি৷

আরও পড়ুন : বাবার শেষকৃত্যের কাজ সেরে ভোটকেন্দ্রে ছেলে

আরও জানা গিয়েছে, মামলা দায়ের করা হলেও উচ্চবর্ণের তরফ থেকে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে৷ এই ঘটনার প্রতিবাদে প্রায় ৫০ জন গ্রামবাসী মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দ্বারস্থ হবেন বলেও জানানো হয়েছে৷

পুলিশ সূত্রে খবর এখনও কেউ গ্রেফতার না হলেও তদন্ত চলছে৷ পঞ্চায়েত সদস্য সন্দীপ খান্না জানান পুলিশের তরফ থেকে তদন্তে দীর্ঘসূত্রিতা করা হচ্ছে৷