নয়াদিল্লি: ফের ভারতের জন্য বড়সড় হুমকি। বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়া হবে হরিদ্বারের বিখ্যাত ‘হর কি পৌরি’। হুমকি ফোন এল খোদ উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। আর এই হুমকির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে সেই ঘাট।

হরিদ্বারের এসএসপি সেনথিল আবুদাই কৃষ্ণ রাজ জানিয়েছে, কোনও এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি ফোন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীকে। ৯ নভেম্বর দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ আসে সেই ফোন। ফোনেই হুমকি দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার আনন্দ সিং রাওয়াত ফোনটি রিসিভ করেছিলেন।

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। হর কি পৌরি ঘাটে প্রচুর পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। হরিদ্বার স্টেশন ও বাস স্ট্যান্ডেও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা ট্রেনের যাত্রীদের উপর বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

প্রত্যেকদিন সন্ধেয় এই হর কি পৌরি ঘাটে বিশেষ গঙ্গা আরতির আয়োজন করা হয়, যা দেখতে সেখানে জড় হন বহু মানুষ।

এর আগে পাকমদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের হুমকির প্রেক্ষিতে দিওয়ালির দিল্লিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। সাম্প্রতিক অতীতে রাজধানীতে এমন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা চোখে পড়েনি।

ভারত-পাক সীমান্তে জইশের দুই কম্যান্ডারের টেলিফোনিক কথোপকথন ট্র্যাপ করা হয়, এই চক্রান্তের আভাস পান ভারতীয় গোয়েন্দারা। জইশ জঙ্গিদের সেই কথোপকথন থেকেই জানা যায়, দিওয়ালিকে টার্গেট করে দিল্লি-সহ মেট্রো শহরগুলিতে হামলার ছক কষা হচ্ছে।

রাজধানী শহরের তিনটি জনবহুল মার্কেট চত্বর সরোজিনী নগর, লাজপত নগর ও করোল বাগে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়াও নয়াদিল্লির দু-ডজনেরও বেশি শপিংমল ও মাল্টিপ্লেক্সগুলিতে মোতায়েন করা হয় সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী।

দিল্লির পাশাপাশি মুম্বই, বেঙ্গালুরু ও আহমেদাবাদের মতো মেট্রো শহরগুলিতেও দিওয়ালিকে ঘিরে নাশকতার আশঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল।