ছোট বড় সকলেই কিসমিশ খেতে পছন্দ করেন৷ এটিই হল সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর শুকনো ফল৷ এই কিসমিশ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন ফুড সাপ্লিমেন্ট, ওষুধ ও মিষ্টি তৈরিতে৷ শুধু তাই নয় এই ড্রাই ফ্রুটের অনেক গুণও বর্তমান৷ তাই আপনাদের জন রইল কিসমিশের গুণাগুণ৷

1. কিসমিশে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে তাই এটি শরীরের অতিরিক্ত জল শোষণ করে পাচন ক্রিয়ায় সাহায্য করে৷ এছাড়াও যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন তাদের ক্ষেত্রেও এটি বেশ কাজে দেয়৷

2. যারা স্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে শরীরের ওজন বৃদ্ধি করতে চান তাদের ক্ষেত্রে কিসমিশ সবচেয়ে ভাল উপায়৷ এছাড়াও এতে রয়েছে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোস এবং এটি প্রচুর পরিমাণে শক্তিও প্রদান করে৷

3. কিসমিশ দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে উপযোগী৷ এছাড়াও যদি দাঁতে অন্য কোন খাবার আটকে গিয়ে থাকে তবে কিসমিশ সেটিকে বের করতে সাহায্য করে৷

4. গবেষণায় দেখা গেছে কিসমিশ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের প্রকোপ কম করতে সাহায্য করে৷

5. কিসমিশে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ভিটামিন -বি কমপ্লেক্স থাকে ফলে এটি অ্যানিমিয়া সাড়াতে এবং নতুন রক্তকোষ সৃষ্টি করতে সাহায্য করে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।