রোজ সকালে উঠে আর রাত্রে ঘুমোতে যাওয়ার আগে অবশ্যই দাঁত মাজা উচিত৷ এমনটাই শিখে এসেছে সবাই ছোট থেকে৷ তবে এখন যদি বলা হয়, টুথপেস্ট দাঁত মাজা ছাড়াও আরও অনেক কারণেই ব্যবহার করা যায়৷ বাড়ির কাজ, ধরুন, পুরনো গয়নাকে নতুন করে দেওয়া৷ এই ধরণের বিভিন্ন কাজে লাগে টুথপেস্ট৷ না জানলে চটপট সেভ করে নিন এই থ্রেডটা৷ যেকোনও সমস্যায় দরকার পড়লেই লেখাটি পড়ে সমস্যার সমাধান করুন৷

গাড়ির কাঁচ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করুন টুথপেস্ট৷ নতুন গাড়ি কেনার সময় যেমন কাঁচ চকচক করত, টুথপেস্ট দিয়ে পরিষ্কার করলেও তেমনই করবে৷

জামায় বিভিন্ন কারণে লিপস্টিকের দাগ লেগে পারে৷ কিংবা খেতে গিয়ে সসও পড়ে যায়৷ সঙ্গে সঙ্গে সাবান জল দিয়ে পরিষ্কার করতে যান আপনি৷ তা না করে টুথপেস্ট দিয়ে ঘষে নিন জায়গাটা৷ দেখবেন দাগ একেবারে চলে গিয়েছে৷

পড়ুন: এই পদ্ধতিতেই খসে পড়বে আঁচিল

রুপোর গয়না একটু পুরনো হয়ে গেলই কালচে হয়ে যায়৷ ব্রাশে একটু টুথপেস্ট লাগিয়ে গয়নাটি ভালো করে পরিষ্কার করুন৷ ভালো করে ঘষে নিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন৷ তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ দেখবেন গয়না আগের মতো হয়ে গিয়েছে৷

কাঠের ফার্নিচার হোক বা অ্যালুমিনিয়ামের৷ দাগ পড়ে গেলে আপনি নানা রকমের প্রোডাক্ট দিয়ে দাগ তোলার চেষ্টা করেন৷ কিন্তু সেই চেষ্টা বিফলে যায়৷ তাই টুথপেস্ট দিয়ে পরিষ্কার করুন৷ দাগও উঠবে এবং চকচকেও হবে৷

নেলপলিশ বা নখে লেগে থাকা গাঢ় দাগ তুলতে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন৷ আঙুলে একটু পেস্ট নিয়ে ঘষে নিন৷ দেখবেন দাগ উঠে গিয়েছে৷

হারমোনিয়াম বা সিন্থেসাইজারের রিডে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতেও টুথপেস্ট কার্যকরী৷ একটা ভেজা টুকরো কাপড়ে একটুখানিক টুথপেস্ট নিয়ে হালকা করে ঘষতে থাকুন। দাগ উঠে যাবে নিমেষে৷

পড়ুন: কম্পিউটারের সামনে বসে চোখের সমস্যা নিরাময়ের উপায় জেনে নিন

মাছ ধরলে, ধুলে হাতে আষ্টে গন্ধ হয়ে যায়৷ পেঁয়াজ, রসুন কাটলেও এমনটাই হয়৷ সেই দাগ তুলুন টুথপেস্ট দিয়ে৷ কারণ সাবানও যে কাজে ফেল টুথপেস্ট সেই কাজ করে দেয়৷

ফোনে স্ক্রিনগার্ড লাগালেও স্ক্র্যাচ পড়ে যায়৷ নতুন স্ক্রিনগার্ড না কিনে তুলোয়ে টুথপেস্ট নিয়ে ঘষে নিন৷ আসতে করে ঘষবেন৷ ভালো করে মুছে নিন৷ দেখবেন আগের মতো হয়ে গিয়েছে ফোনের স্ক্রিন৷

আয়রনের দাগ তুলতেও টুথপেস্ট উপকারী৷ এবং বেসিন বা বাথরুমের স্টিলের কলে ময়লা জমলেও টুথপেস্ট লাগিয়ে রেখে দিন৷ তারপর ধুয়ে নিন৷ দেখবেন ময়লা উঠে গিয়েছে৷

ব্রুণ হলে আগের টুথপেস্ট নিয়ে ব্রুণের ওপর লাগিয়ে রাখুন৷ দেখবেন পরের দিন সকালে কমে গিয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।