হাওড়া: মশা তাড়াতে গাপ্পি মাছেই ভরসা রাখছে হাওড়া পুরনিগম৷ মশার বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে অভিযানে নেমে বিভিন্ন জায়গায় ছাড়া হল গাপ্পি মাছ৷ শনিবার সকালে বেলুড়ের বিভিন্ন এলাকায়, বাড়িতে জমা জলে গাপ্পি মাছ ছাড়া হয়। এছাড়াও পুরনিগমের ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডে এদিন সকাল থেকে পুরনিগমের স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পারিষদ ভাস্কর ভট্টাচার্য নেতৃত্বে স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়িতে বাড়িতে পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুন: রিলিজের সমস্যা কাটিয়ে অবশেষে মুক্তি পেল “আত্মজা”

যেখানে জমা জল রয়েছে এবং যেখানে হাইড্রেনের জল জমে রয়েছে সেখানেই এদিন গাপ্পি মাছ ছাড়া হয়। বাসিন্দাদের বলা হয়, খোলা চৌবাচ্চা বা খোলা পাতকুয়ার মুখ যেন মশারি দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। মূলত শুক্রবার বিকেল থেকেই হাওড়া পুরনিগমের মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে এই গাপ্পি মাছ বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে৷ ৬৬টি ওয়ার্ডেই পর্যায়ক্রমে এই মাছ বিলি করা হবে।

প্রথম দফায় শুক্রবার ৯৫ হাজার গাপ্পি মাছ বিতরণ করা হয়৷ ৪৩টি ওয়ার্ডে তা বিতরণ করা হয়৷ দ্বিতীয় দফায় অন্যান্য ওয়ার্ডগুলিতেও এই গাপ্পি মাছ দেওয়া হবে। শনিবার সকালে বেলুড়ে পুরনিগমের ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মীরা পরিদর্শন করেন৷ মশার বংশবৃদ্ধি যাতে নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেই কারণেই এই গাপ্পি মাছ বিতরণ করা হয়। হাওড়া পুরনিগমের মেয়র পারিষদ (স্বাস্থ্য) ভাস্কর ভট্টাচার্য শনিবার সকাল থেকে বেলুড়ের ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে গাপ্পি মাছ ছাড়ার কাজ শুরু করেন।

আরও পড়ুন: জুলাই তেই “মাদার্স ডে” সেলিব্রেশন টলিউডের

শুক্রবার বিকেল থেকে হাওড়া পুরনিগমের বিভিন্ন এলাকায় এই গাপ্পি মাছ ছাড়ার কর্মসূচি শুরু হয়েছিল। শহরের নর্দমাগুলিতে জমা জলে যাতে মশার লার্ভা জন্মাতে না পারে এবং লার্ভা হলেও সেগুলি জন্মানো মাত্রই যাতে গাপ্পি মাছ খেয়ে নিতে পারে এ জন্যই ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে নর্দমায় ওষুধ ছাড়াও গাপ্পি মাছ ছেড়ে মশার লার্ভা ধ্বংস করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাফল্য মিলছে বলে দাবি করেছেন মেয়র পরিষদ।

বর্ষার মরসুমে এই কর্মসূচি লাগাতার চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মেয়র পারিষদ জানান, স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে একদিকে জমা জল যাতে না থাকে তা যেমন পরীক্ষা করছেন, তেমনই কারও জ্বর হয়েছে কি না বা কেউ অসুস্থ আছেন কি না সেইসব স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করছেন৷ নিয়মিত এই কাজের মধ্য দিয়ে গত মরশুমেও হাওড়ায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছিল৷ এবারও প্রথম থেকেই ভালো করে কাজ করে ডেঙ্গুকে ঠেকানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: মা সন্তানের বিয়ে দেখলে নেগেটিভ এনার্জি ছড়ায়! প্রচলিত যেসব রীতি নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন