কলকাতা: রাজ্যে জাঁকিয়ে বসেছে শীত৷ মাঘের শুরুতেই ধুন্ধুমার ব্যাটিং-এ কাবু রাজ্যবাসী৷ ত্বকে ধরেছে টান৷ ময়েশ্চারাইজার ছাড়া থাকাই দায়৷ তবে বাজার থেকে কেনা নয়, শুষ্ক ত্বকের লাবণ্য ফেরাতে ব্যবহার করুন ঘরোয়া ময়েশ্চারাইজার৷ কিন্তু কী ভাবে বানাবেন এই ময়েশ্চারাইজার? দেখে নেওয়া যাক৷

মধু- শীতে ত্বকের সুরক্ষায় ম্যাজিকের মতো কাজ করে মধু৷ প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবে এটি কাজ করে৷ মধু শুধু যে ত্বকের শুষ্কতাই দূর করে না তা নয়, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতেও নানাভাবে সাহায্য করে। দু’চামচ মধুর মধ্যে গোলাপ জল মিশিয়ে নিতে হবে৷ তার পর এই মিশ্রণ মুখে ও গলায় লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন৷ এই প্রলেপ শুকিয়ে গেলে উষ্ণ জলে মুখ ধুয়ে নিন৷ আর ফারাক বুঝুন৷

মাখন – শীতের রুক্ষ-শুষ্ক ত্বকের হাত থেকে রক্ষা পেতে দারুণ উপকারী মাখন৷ মাখন লাগাতে হবে রাতে শোয়ার আগে৷ মুখে ও গলায় মাখন লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন৷ সকালে ঘুম থেকে উঠে উষ্ণ গরম জলে ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেলুন৷ টাকা এই প্রলেপ লাগালে মিলবে উজ্জবল ত্বক৷

অলিভ ওয়েল – শীতে আরও একটি অপরিহার্য উপাদন হল অলিভ ওয়েল৷ স্নানের আগে অলিভ অয়েল মাজাস করে নিন৷ কিছুক্ষণ রাখার পর উষ্ণ জলে স্নান সেরে নিন৷ স্নানের জলেও দু’তিন ফোটা অলিভ ওয়েল ফেলে নেওয়া যেতে পারে৷ এছাড়াও অলিভ ওয়েলের সঙ্গে মধু মিশিয়েও ত্বকে লাগানো যেতে পারে৷

অ্যালোভেরা- ত্বক উজ্জ্বল রাখতে খুবই উপকারী অ্যালোভেরা৷ অনেকের বাড়ির বাগানেই অ্যালেভেরা গাছ থাকে৷ কিংবা বাজার থেকে অ্যালোভেরা গাছের পাতা এনে, পাতার ভিতর থেকে জেল বার করে নিন৷ তার পর সেই জেল ভালো করে ত্বকের উপর লাগিয়ে মাসাজ করুন৷ শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে যা খুবই কার্যকরী ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।