কলকাতা : শীতকাল উপস্থিত। সঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়াও হাজির। এই সময়ে সবথেকে সমস্যায় ফেলে রুক্ষ ত্বক ও চুলের সমস্যা। হাল করতে পারে নারকেল তেল। অনেক টাকা খরচ করে আর অনেক পরিশ্রম করে কোন আশ্চর্য তেলের সন্ধান করবেন কেন, যখন নিজের ঘরেই একটা জাদু তেল পাওয়া যায়? তেলটা প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, এর অনেক গুণ এবং অন্যান্য তেলের চেয়ে অনেক এগিয়ে। নারকেল তেলের কথা বলছি। এই তেলের আকর্ষণ কয়েক শতাব্দী ধরে বজায় আছে। আসুন কারণগুলো দেখে নিই।

চুলের ক্ষতি আটকাতে নারকেল তেলের জুড়ি নেই:

পরিবেশ দূষণ, স্টাইলিং আর ব্যস্ত জীবনযাপন আপনার চুলের বারোটা বাজাতে বাধ্য। সমাধান আপনার হাতেই আছে। নারকেল তেলের সাহায্য নিলে আপনার চুলের ক্ষতি মুখ লুকোবে। আপনার ইচ্ছা মত নারকেল তেলকে বর্ম বা প্যাসিফায়ার হিসাবে ব্যবহার করুন। প্রথমটা ব্যাবহার করলে একটা কয়েনে যতটা ধরে ততটুকু তেল সমস্ত চুলে ছড়িয়ে দিলে স্টাইলিং গ্যাজেট আর রোদ থেকে আপনার চুলকে রক্ষা করবে। সারিয়ে তোলার যন্ত্র হিসাবে নারকেল তেল অন্য সব তেলের চেয়ে চুল আর ত্বকের বেশি গভীরে যায়। ফলে সত্যিকারের ‘ভিতরের সৌন্দর্য’ ফুটিয়ে তোলে।

দীর্ঘ চুলের রহস্য:

সুরক্ষিত এবং পরিপুষ্ট চুলের তাৎক্ষণিক ফল হল দ্রুত বৃদ্ধি এবং বেশি দৈর্ঘ্য। এই শক্তিশালী তেলের উপাদান ম্যাজিকের মত কাজ করে চুলের গোড়া শক্ত করে, চুলের বৃদ্ধির হার বাড়ায় এবং মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। ফলে আপনার মাথার আকর্ষণীয়, ঝলমলে এক ঢাল চুলে ভরে ওঠে। তখন আপনি এলোমেলো চুলের দিনগুলোকে বিদায় জানাতে পারেন।

চুল পেকে যাওয়া আটকানোর জাদু:

চুল পেকে যাওয়ার কারণগুলোর তালিকা অনেক লম্বা। তার মধ্যে পরিবেশ দূষণের সমস্যা, মানসিক চাপ, হরমোনঘটিত পরিবর্তনের মত অনেককিছু আছে। ভাগ্যের কথা, বাঁচার উপায় আপনার নাগালের মধ্যেই আছে। ভাবনার কিছু নেই। আপনার নারকেল তেলের বোতলটা নিন আর মাথায় মালিশ করুন। এতে মাথার খুলিতে রক্ত চলাচলে উন্নতি হবে, একইসঙ্গে বাইরে থেকেও গভীরে পুষ্টি পৌঁছাবে। এই দুয়ের মিলিত ফলাফল হল চুল পেকে যাওয়ার বিরুদ্ধে নিশ্চিত প্রতিরোধ। এর একটা ইতিবাচক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হল অভূতপূর্ব ঝলমলে চুল।

নারকেল তেলের বহুবিধ ব্যবহারই তার দীর্ঘকালীন জনপ্রিয়তার মূল কারণ। চুলের যত্নের জন্য নারকেল তেল একাই একশো এবং অন্যান্য তেলের চেয়ে অনেক ভাল। সিরামের মত ব্যবহার করুন, বেশি যত্ন দরকার হলে মালিশ করুন অথবা আগের দিন রাতে মেখে নিয়ে মা-দিদিমাদের মত চুলে মিশে যেতে দিন — পছন্দ আপনার আর উপকারিতা অপরিসীম।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।