নিউজডেস্ক, কলকাতা২৪x৭: সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও তেহরান একে অপরকে সামরিক শক্তি ব্যবহারের ধমকি-ধামকি দিয়ে আসছিল। এরপর ইরানের প্রতিবেশী ইরাকের একটি তেলক্ষেত্র থেকে বিদেশি কর্মীদের সরিয়ে নেয় তেল কোম্পানি এক্সন মবিল।

গুরুত্বপূর্ণভাবে, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ও স্বার্থকে হুমকি দেওয়ার জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করেছেন ট্রাম্প।

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে আর্ন্তজাতিক রাজনীতিতে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যেতে পারে এমনও আশঙ্কা করেছেন অনেকে।

তবে যুদ্ধের হুমকি না দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জাভেদ জারিফ একটি আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “কোনো যুদ্ধ হবে না, কারণ আমরা কেউ যুদ্ধ চাই না, আর এই অঞ্চলে ইরানের মুখোমুখি হওয়ার মতো ধারণা বা বিভ্রান্তিতেও কেউ ভুগছে না।