ওয়াশিংটন: আইএসএস মুক্ত হয়েছে সিরিয়া৷ আমেরিকার এই দাবি ঘিরেই বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে৷ ৷ কারণ ওয়াশিংটনের এই দাবির কিছুক্ষণের মধ্যেই গুলি ছোঁড়া শুরু করে সিরিয়ার একটি গ্রামে৷ জানা গিয়েছে ইসলামিক জঙ্গিরাই রয়েছে এর নেপথ্যে৷ চলছে জোট বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে গুলির লড়াই৷

ইসলামিক স্টেটের নিয়ন্ত্রণে থাকা সিরিয়া ও ইরাকের এলাকাগুলো আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ‘সিংহভাগ মুক্ত’ ঘোষণা করা সম্ভব হবে৷ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এই আশার বাণী সুনিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তবে একই সঙ্গে সেই সময় প্রেসিডেন্ট জানিয়েছিলেন, সিরিয়ার বিভিন্ন জায়গায় কিছু আইএস জঙ্গি রয়ে গিয়েছে৷

সেই থেকেই সিরিয়াকে সম্পূর্ণ জঙ্গিমুক্ত করতে মরিয়া জোট বাহিনী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে৷ শুক্রবার মার্কিন প্রেস সেক্রেটরি সারা স্যান্ডার্সের তকফে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়৷ সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিব প্যাট্রিক সানাহান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে জানান সিরিয়া আইএসআএস মুক্ত৷ কিন্তু তার পরেই ফের গুলি চলে বাগহাউজ এলাকায়৷

আরও পড়ুন: পাকিস্তান দিবসে শুভেচ্ছা জানালেন মোদী

সিএনএন-এর রিপোর্ট আনুশারে সিরিয়ার পূর্বপ্রান্ত পাহাড় ঘেরা অঞ্চল৷ সেখানেই লুকিয়ে রয়েছে অবশিষ্ট ইসলামিক স্টেটের জঙ্গিরা৷ আইএস জঙ্গিদের ওই অস্থায়ী ঘাঁটি থেকেই চলে গুলি৷ তবে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ধরণের বিষয় খুবই নগন্য৷ গুলি চলার ধরণ দেকে মনে করা হচ্ছে সংখ্যায় গুটি কয়েক জঙ্গিই নিজেদের বাঁচাতে এই কাজ করেছে৷ তাদের ধরতে জোট বাহিনীর বেগ পেতে হবে না৷

গুলি যুদ্ধের এই কথা স্বীকার করে নিয়েছে সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সও৷ তারা জানিয়েছে এতে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই৷ জৌট বাহিনী পদক্ষেপ করেছে৷ সাহায্য করছে সিরিয় সেনাও৷ দেশ প্রায় আইএস মুক্ত৷

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে সিরিয়া ও ইরাকের বিরাট অংশ দখল করে ‘খিলাফত’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করে আইএস জঙ্গি গোষ্ঠী। ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে তারা। জঙ্গিদের শেষ করতে ২০১৪ সালে আমেরিকার নেতৃত্বে গঠিত হয় আইএস বিরোধী বহুজাতিক জোট। ট্রাম্পের ঘোষণা সিরিয়া জঙ্গি মুক্ত হলেই জোট বাহিনী সে দেশ ছাড়বে৷