ওয়াশিংটন : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যদি নিজেদের অনৈতিক কাজ ও দুর্নীতি বন্ধ রাখে তবেই একমাত্র ফের তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের কথা ভাবা হবে ও চিনকে বিশ্বাস করা হবে। রবিবার পরিষ্কার একথা জানিয়ে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান WHO-এর উপর চিনের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। কিন্তু চিন ওই সংস্থাকে বছরে মাত্র ৪০ মিলিয়ন ডলার দেয় ও আমেরিকা সেখানে বছরে ৪৫০ মিলিয়ন ডলার দেয়। পাশাপাশি, হু-র বিরুদ্ধে অনৈতিকতা ও দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন ট্রাম্প।

তারপরেই হু-র সাথে সবরকম সম্পর্ক ছিন্ন করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এবিসি নিউজকে দেওয়া টেলিফোনিক সাক্ষাতকারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও ব্রায়েন জানান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অভ্যন্তরে দুর্নীতি ছড়িয়ে রয়েছে। এই সংস্থার সংস্কার দরকার। সেই কাজ হয়ে গেলেই আমেরিকা সম্পর্কে ফিরবে। এই বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রবার্ট।

রবার্ট জানান যে টাকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দেওয়া হয়, সেই টাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়নের কাজে লাগালে ভালো হবে। যতদিন না হু-র সাথে ফের সম্পর্ক তৈরি করার কথা ভাবছে আমেরিকা, ততদিন এই টাকা দেশের উন্নয়নে লাগানো হবে। এই টাকা স্বাস্থ্য খাতে ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। বিশেষত বিভিন্ন চিকিৎসক, যারা নানা উদ্যোগে কাজ করছেন, তাদের সাহায্য করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়াও অর্থ সাহায্য করা হবে রেড ক্রশকে। এর আগে, করোনা মহামারীর আকার ধারণ করার পর থেকেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিরুদ্ধে একাধিকবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে সরাসরি WHO -এর সঙ্গে সব সম্পর্ক ত্যাগ করলেন তিনি। শনিবার ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে WHO -র সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করছে আমেরিকা। সব ফান্ডিং বন্ধ করে ওই টাকা অন্য কোনও সংস্থাকে দেওয়া হবে।

সংবাদসংস্থা আমেরিকার দাবি না মানায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হল বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, চিন দিনের পর দিন আমেরিকার গোপন তথ্য হাতানোর চেষ্টা করেছে। তাই চিনা নাগরিকের আসার ক্ষেত্রে ও আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

করোনা ভাইরাস নিয়ে চিনের সঙ্গে আঁতাত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সরাসরি না হলেও পরোক্ষভাবে এমনই ছবি উঠে এসেছে একাধিকবার, অভিযোগ জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই আগেও বন্ধ করা হয়েছিল আর্থিক অনুদান। তবে পরে জানা যায়, ফের টাকা দেওয়া শুরু করবে ট্রাম্প প্রশাসন। এরপরই এমন সিদ্ধান্ত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।