রাষ্ট্রসংঘ: লাগাতার যুদ্ধের হুমকি দেওয়া বন্ধ করুক উত্তর কোরিয়া৷ এখনো সময় আছে সংযত হওয়ার৷ সেটা না করলে ধংস করা হবে কিম জং উনের দেশকে৷ রাষ্ট্র সংঘ সাধারণ অধিবেশন শুরুর ঠিক আগেই এমনই পাল্টা হুমকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের৷

সংবাদ সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে, উত্তর কোরিয়া সরকারের প্রতি চরম অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছেন রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিক হ্যালি৷ বক্তব্য রাখার সময় তাঁর পাশে ছিলেন আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী৷
স্বাভাবিকভাবেই ওয়াশিংটনের হুমকির পর আলোড়ন ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে৷ এমনই পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার শুরু হচ্ছে রাষ্ট্রসংঘের ৭২ তম সাধারণ অধিবেশন৷

এএফপি জানাচ্ছে, উত্তর কোরিয়ার লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ও পরমাণু পরীক্ষায় চিন্তিত প্রতিবেশী রাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান৷ পরিস্থিতি নিয়ে এই দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷ তারপরেই এসেছে উত্তর কোরিয়াকে সম্পূর্ণ ধংসের হুমকি৷

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবর, রাষ্ট্রসংঘ অধিবেশন থেকেই কিম জং উনকে অবরুদ্ধ করতে কোমর কষে নেমে পড়বেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প৷ কিউবা ও ভেনেজুয়েলার মতো দেশের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে৷ তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হবে৷ তীব্র মার্কিন বিরোধী অবস্থান নেয় এই দুই রাষ্ট্র৷ তবে চিনের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ দানা বাধছে৷ কিমের পরমাণু পরীক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের কড়া সমালোচনা করেছে চিন৷ রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে বেজিং কোনদিকে অবস্থান নেয় তা লক্ষনীয়৷

যদিও বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মার্কিন হুমকি থোড়াই কেয়ার করেন উত্তর কোরিয়ার সর্বময় শাসক কিম জং উন৷ যেভাবে তিনি দেশের পরমাণু বিজ্ঞানীদের উৎসাহ দিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন তাতে সমস্যা আরও ঘনীভূত হয়েছে৷ আশংকা রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশন থেকে পিয়ংইয়ংকে দেওয়া হুমকি পর আরও ক্ষেপে উঠতে চলেছেন কিংম৷