ওয়াশিংটন: ভিসা অনুমোদন করতে এবার আবেদনকারীর সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য যাচাই করবে মার্কিন প্রশাসন৷ নিয়ম জারি লাগু করল ট্রাম্প প্রশাসন৷ গত পাঁচ বছর ভিসা আবেদনকারী কোন ই-মেল ও ফোন নম্বর ব্যবহার করেছেন তারও তথ্য জানাতে হবে৷

আরও পড়ুন: স্মৃতির পর ‘ভুয়ো ডিগ্রি’র হদিশ নতুন মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রীর ঝুলিতে

পরিসংখ্যান বলছে, প্রতিবছর গড়ে ১ কোটি ৪৭ লক্ষ মানুষ মার্কিন ভিসা র জন্য আবেদন করে থাকেন। নিয়ম আনুযায়ী এবার থেকে আবেদনকারীদেরসোশ্যাল মিডিয়ার বিগত বছরের সব তথ্য আবেদনের সঙ্গেই জমা দিতে হবে। বিগত পাঁচ বছরের তথ্য ঘেঁটে দেখবে মার্কিন প্রশাসন৷ তারপরই দেওয়া হবে ভিসার ছাড়পত্র৷ তবে কূনীতিক ও বিশেষ কারণে এই আইন শিথিল করা হবে৷

মার্কিন স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে জানানো হয়েছে দেশের জন্য ক্ষতিকর এমন কোনও ব্যক্তির হাতে যাতে ভিসা না যায় তার জন্যই এই পদক্ষেপ৷ জানা গিয়েছে, ভিসার জন্য আবেদনকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় কী ধরনের অ্যাক্টিভিটি করছে, কোন কোন গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত বা কী ধরনের পোস্ট করে থাকেন তা সবই খতিয়ে দেখবে মার্কিন প্রশাসন।

আরও পড়ুন: ভারতীয় দূতাবাসের ইফতার পার্টিতে পাক রক্ষীদের লাল চোখ

২০১৮-র সেপ্টেম্বরেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, অভিবাসী ভিসার জন্য আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য খতিয়ে দেখা হতে পারে। এমন অভিবাসী ভিসার বার্ষিক আবেদনকারীর সংখ্যা ৭ লক্ষ ১০ হাজার। কিন্তু, নয়া আইনে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসায় এই সংখ্যাটা বেড়ে হচ্ছে ১ কোটি ৪৭ লক্ষ।

মার্কিন স্বারাষ্ট্র দফতরের নথিতে ফেসবুক, টুইটারের মতো কুড়িটি সোশ্যাল মিডিয়ার কথা বলা হয়েছে। আদৌ কি এইভাবে দেশের সুরক্ষা সম্ভব? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত মানুষেরা৷