ওয়াশিংটন: আমেরিকার উপরাষ্ট্রপতি মাইক পেন্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেন তালিবানদের রুখতে আরেকটু বেশি সচেষ্ট হওয়া প্রয়োজন৷ শুধু তালিবান নয় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহিদ খাকান আব্বাসিকে তিনি বলেন তালিবান ছাড়াও অন্য জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হোক পাকিস্তানের তরফে৷ শনিবার হোয়াইট হাউসের তরফে একথা জানান হয়েছে৷

হোয়াইট হাউসের তরফে বলা হয় “উপরাষ্ট্রপতি পেন্স রাষ্ট্রপতি ডোনান্ড ট্রাম্পের অনুরোধেরই পুনরাবৃত্তি করেছেন৷ পাকিস্তান সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে পাকিস্তানে তালিবান, হাকানি নেটওয়ার্ক এবং বাকি জঙ্গি সংগঠনগুলির উপস্থিতি এবং সেখান থেকে তাদের কার্যকলাপ চালিয়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে কিছু করুক৷”

উপরাষ্ট্রপতি পেন্স জানিয়েছেন, “পাকিস্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারে, এবং করা উচিত৷” ওয়াশিংটনের তথ্য অনুযায়ী, ইসলামাবাদের তরফে তালিবানের মাথার ওপর থেকে সাহায্যের হাত তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে এমনই ইঙ্গিত মিলেছে৷ কাবুলে ভারতীয় প্রভাবের বিরোধিতা করার হাতিয়ার হিসেবে এই গোষ্ঠীগুলিকেই সেদেশ নিরাপত্তা ও নিজেদের স্বার্থরক্ষার জন্য ব্যবহার করে আসছে৷

গত মাসে আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি আশরাফ ঘানি তালিবানদের সঙ্গে শান্তি বৈঠকের ডাক দিয়েছেন৷ তালিবানরা যদি যুদ্ধবিরতি দেয় তাহলে তারা আফগান সরকার ও সংবিধানে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিতি ও স্বীকৃতি পেতে পারে৷ যদিও তালিবানের তরফ থেকে এটি বাতিল করার দিকেই যাচ্ছে কিন্তু এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত তাদের তরফ থেকে কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি৷ তার চুপ করেই রয়েছে৷

কয়েকদিন আগেই আব্বাসি মার্কিন উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেন৷ ব্যক্তিগত সফরে গিয়ে তিনি পেন্সের সঙ্গে দেখা করে জানান পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কিভাবে লড়াই করছে এবং তাতে তারা কতটা সফল৷ বৈঠকে আফগানিস্তানের শান্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়৷ সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর মনোভাবের জবাবেই আব্বাসি সন্ত্রাসবাদ দমন বিষয়ে কতটা কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে তাঁর দেশ সে বিষয়ে জনান৷

ওয়াশিংটনে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময়ই মার্কিন সরকারের সঙ্গে এবিষয়ে বৈঠক হয় বলে খবর৷ এক সূত্র মারফত খবর, আব্বাসি একটি স্থানীয় হোটেলে মার্কিন কর্মকর্তাদের সাঙ্গে দেখা করেন যেখানে পাকিস্তানি দূতাবাসের কূটনীতিকরাও উপস্থিত ছিলেন৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও