নয়াদিল্লি: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চিনকে একঘরে করে ছাড়ল বিশ্বের তাবড় দেশ। ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি একযোগে চিনের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদে অভিযোগ তোলে। তাদের বক্তব্য ছিল দীর্ঘদিন ধরে চিনে উইঘুর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য চিনের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় উইঘুরদের নিয়ে একাধিক সংবাদ শিরোনাম হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তাদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে বেজিং বলে অভিযোগ। সেই ইস্যুই বুধবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে তুলে ধরে এই তিন দেশ। চিনের উত্তর পশ্চিমের প্রদেশ জিনঝিয়াংয়ে উইঘুরদের বাস। সেখানেই নানা বিধি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

কাউন্টার টেররিজম সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে এই তিন দেশ চিনের উইঘুরদের প্রসঙ্গ তোলে। আবেদন করা হয়, চিন যেন এই সম্প্রদায়ের মানুষদের ওপর কাউন্টার টেররিজম বন্ধ করে। নিরাপত্তা পরিষদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী সদস্য কেলি ক্রাফট জানান চিনের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অবিলম্বে এই অত্যাচার বন্ধ করা দরকার। এভাবে দিনের পর দিন মানবাধিকার লঙ্ঘন হতে পারে না।

একই সুরে কথা বলেন নিরাপত্তা পরিষদে ব্রিটেনের প্রতিনিধি জেমস রস্কো। তিনি বলেন বিশ্ব জুড়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার রক্ষা করা সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের কর্তব্য। কিন্তু দুঃখের বিষয় চিনের উইঘুরদের সাথে সেটা হচ্ছে না।

এই বিষয়ে একাধিকবার সরব হয়েছে আন্তর্জাতিক মহল। দিন কয়েক আগেই একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, চিনের সংখ্যালঘু মুসলিম এবং চিনের পশ্চিমাঞ্চলের উইঘুর সম্প্রদায়ের মুসলিমদের বিষেশত মহিলাদের জন্ম নিয়ন্ত্রণের উপর চাপ সৃষ্টি করছে চিনা সরকার।

চিনে মুসলিমদের উপর অত্যাচারের ঘটনা নতুন কিছু নয়। এর আগেও বহুবার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের দ্বারা চিনা মুসলিমদের উপর নিদারুণ অত্যাচারের বিষয় প্রকাশ্যে আসে। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রসংঘ। এই বিষয়ে চিনকে সতর্কও করে ব্রিটেন, আমেরিকাও।

তবে ফের উইঘুর সম্প্রদায়ের মহিলাদের উপর চিনা সরকারের অত্যাচারের কাহিনী প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে যায় বিশ্ব জুড়ে। যদিও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এই তথ্যকে অসত্য বলে দাবি করেন চিনের বিদেশমন্ত্রী। এই বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে গোটা বিষয়টিকে ‘ফেক নিউজ’ বলে এড়িয়ে যান তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।