নিউইয়র্ক: মার্কিন শেয়ার বাজারে গত তিন মাসে সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়ল বুধবারে। তিনটি প্রধান শেয়ার সূচক নেমে এসেছে ২ শতাংশের বেশি। অক্টোবর মাসের পর থেকে বেশি কেনা হয়ে গিয়েছে বলে বাজারে আতঙ্ক গ্রাস করেছে।

নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রডেস্ট গজ, ডাউ জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ ৬৩৪ পয়েন্ট বা ২.১ শতাংশ নেমে গিয়ে দিনের শেষে অবস্থান করছে ৩০,৩০৩ পয়েন্টে। এর আগে গত বছরের ২৮ অক্টোবর সূচক নেমেছিল ৩.৫ শতাংশ।

এস অ্যান্ড পি ৫০০ যাতে মার্কিন শীর্ষ ৫০০টি স্টক রয়েছে তা এদিন ২.৬ শতাংশ নেমে গিয়ে অবস্থান করছে ৩৭৫১ পয়েন্টে। প্রযুক্তি বোঝাই ন্যাসডাক সূচক যার মধ্যে রয়েছে ফেসবুক অ্যাপল অ্যামাজন‌ নেটফ্লিক্স এবং গুগল‌ সেখানে ২.৬ শতাংশ পতনের ফলে দিনের শেষে ১৩,২৭১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

নিউইয়র্ক ভিত্তিক শেয়ার ব্রোকার ওন্ডা-র বাজার বিশেষজ্ঞ ক্রেগ এরলামের বক্তব্য, একেবারে বছরের শুরুতেই বাজার বেশ নার্ভাস, বিনিয়োগকারীদের প্রতিনিয়ত আশ্বস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে তাদের উপর থেকে আচ্ছাদন সরিয়ে নেওয়া হবে না। বর্তমানে করোনা‌ পরিস্থিতিতে প্রায় এক অনিশ্চিত অবস্থা আর এটাই লগ্নিকারীদের শ্বাস নেওয়ার জন্য যথোপযুক্ত সময়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।