ওয়াশিংটন: উত্তাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর বিরুদ্ধে চলছে প্রতিবাদ। জর্জের ঘাড়ে হাঁটু দিয়ে চাপ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর সময়ে তিনি বার বার বলেছিলেন, আমি শ্বাস নিতে পারছি না। বর্ণবৈষম্যের দরুণ এই মর্মান্তিক কাণ্ডের বিরুদ্ধে ফুঁসছে মানুষ। পুলিশের সঙ্গে অনবরত চলছে সংঘর্ষ। এই ঘটনার নিন্দা করেছেন মার্কিন তারকা টেলর সুইফট ও লেডি গাগাও।

ঘটনায় মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠছে। টেলর টুইট করেছেন, আপনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে সাদা চামড়া আধিপত্যবাদ তৈরি করে, বর্ণের ভেদাভেদে আগুন ধরিয়েছেন। এই হিংসাত্বক হুমকি দেওয়ার আগে আপনার বিবেকেও বাঁধলো না! লুঠ শুরু হলেই কি গুলি শুরু হবে! আমরা নভেম্বরে আপনাকে ক্ষমতাচ্যুত করব।

জনপ্রিয় গায়িকা সেলিন ডিওনও টুইট করেছেন, আমি শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না। এই মর্মান্তিক অবিচার আমার হৃদয় ভেঙে দিয়েছে। আমি কল্পনাও করতে পারছি না জর্জ ফ্লয়েডের পরিবারের উপর দিয়ে এখন কী যাচ্ছে। পরিবর্তন আসা দরকার। আর এই বর্ণবিদ্বেষ হিংসা চলতে পারে না। এটা আমাদের সবার সমস্যা, এটা সবার লড়াই। আর আমি আশা রাখি, একসঙ্গে আমরা শান্তি খুঁজে পাবো।

পপ তারকা লেডি গাগা লিখছেন, কৃষ্ণাঙ্গরা এখন যে সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তাতে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো উচিত প্রতিটি গোষ্ঠীর। ঈশ্বরে যাঁরা বিশ্বাসী বা বিশ্বাসী নন, তাঁদের সকলের কাছে যে কাজটা খারাপ তা আমাদের বন্ধ করার সময় এসেছে। আমি আর্জি রাখছি, মানুষ পরস্পরের সঙ্গে ভদ্রভাবে কথা বলবে। যে সিস্টেম আমাদের অসুস্থ করে, তাকে ছাপিয়ে গিয়ে মানুষ মানুষকে ভালোবাসবে।

প্রসঙ্গত, সোমবারেও হোয়াইট হাউসের বাইরের চত্বরে ছড়াল অশান্তি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষণের কিছু আগেই বিক্ষোভকারীদের দমাতে টিয়ার গ্যাস ছুঁড়তে হয়। পুলিশ ও মিলিটারির সঙ্গে রীতিমতো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উত্তেজিত জনতা। জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্যান্য দেশগুলিও প্রতিবাদ শুরু করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।