ওয়াশিংটন: জঙ্গি বিধ্বস্ত আফগানিস্তানে ফের ন্যাটো! অন্তত এমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে ওয়াশিংটন৷ আফগান সেনাকে সাহায্য করতে প্রস্তুত ন্যাটো৷ শুধু আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াতে সেনা সংখ্যা বাড়াবে ন্যাটো৷ মার্কিন সেনেট ইতিমধ্যেই সেই বিল পাশ করেছে৷

সেনা নিয়োগ ও আফগানিস্তানে পাঠানোর দায়িত্বে মার্কিন আর্মি জেনারেল অস্টিন স্কট মিল্লার৷ ২০১৩ -১৪ সালে আফগানিস্তানে আমেরিকা ও ন্যাটোর যৌথ বাহিনীর দায়িত্বে ছিলেন এই স্কট মিল্লার৷ শুধু আফগানিস্তান নয়, সোমালিয়া,ইরাক,বসনিয়ার মত যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশগুলির দায়িত্বেও তিনিই ছিলেন৷ তাই ১৭ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন স্টক মিল্লারের উপরই ভরসা রাখছে আমেরিকা৷

তালিবান-আফগান সেনার চলতি যুদ্ধে আফগান সেনার তৎপরতার প্রশংসা করেছেন মিল্লার৷ আফিগানিস্তানের তালিবানদের পুরোপুরি উৎপাটন করতে মার্কিন সেনার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেন৷ সেই মতো মার্কিন সেনেটে প্রস্তাব রাখে৷ তিনি জানান, সেনাদের কতদিন আফগানিস্তানে থাকতে হবে তা জানা নেই, তবে আফগানিস্তানের সেনা প্রয়োজন৷ স্কটের বক্তব্যের পরই সেনা নিয়োগের ছাড়পত্র দেয় মার্কিন সেনেট৷

আফগানিস্তানের জন্য পেসিফিক এয়ার ফোর্সও পাঠাচ্ছে আমেরিকা৷ বায়ুসেনার দায়িত্বে থাকবেন জেনারেল চার্লস ব্রাউন৷ এর আগে ইসলামিক স্টেট জঙ্গি নিকেশের দায়িত্বে ছিলেন ব্রাউন৷

আফগান সেনা-তালিবান যুদ্ধ চলছেই৷ ইদের সময় যুদ্ধবিরতি চললেও, ইদের পরই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে তালিবান৷ রাজধানী শহর কাবুলে ঢুকে হামলা চালায়৷ দুই পক্ষের যুদ্ধে প্রতিদিনই মৃত্যু হচ্ছে কমপক্ষে ১৫ সেনার৷ আত্মঘাতী বিস্ফোরণ বা হামলায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা৷ এই পরিস্থিতিতে কড়া হাতেই তালিবানদের রুখছে আফগান সেনা৷ পুরোপুরি রুখতে খুব তাড়াতাড়ি আফগানিস্তানে পৌঁছবে আমেরিকা ও ন্যাটোর যৌথ বাহিনী বলে জানাচ্ছে ওয়াশিংটন৷

বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরই ন্যাটো বাহিনী উঠে নেওয়ার পরিকল্পনা চলে৷ ধীরে ধীরে আফাগনিস্তান ছাড়ে ন্যাটো৷ এবার কতদিনের জন্য আফগানিস্তানে ন্যাটো? আফগান প্রশাসন কি আদৌ আমেরিকার সাহায্য চেয়েছে? আন্তর্জাতিক মহলে উঠছে সেই প্রশ্নও৷