নয়াদিল্লি: লাদাখে চিনা আগ্রাসন পাল্টে দিয়েছে যাবতীয় সমীকরণ। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে তৎপর আমেরিকা। ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিতে তৈরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এমনকী সামরিক ক্ষেত্রেও ভারতকে একাধিক সহযোগিতার বার্তা আমেরিকার।

লাদাখের গালওয়ান সীমান্তে লাল ফৌজের চোখরাঙানি জারি রয়েছে। মুখে ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে সরে যাওয়ার কথা বললেও ঠিক তার উল্টো পথেই চলছে বেজিং।

উপগ্রহ চিত্রে পরিস্কার, গালওয়ানে এখনও ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে চিনা সেনা। যার দরুণ নিজেদের ভূখণ্ডেই নিয়মিত টহলদরিতে যেতে পারছে না ভারতীয় সেনাবাহিনী। যদিও কূটনৈতিকস্তর ও সামরিকস্তরে এখনও আলোচনার মাধ্যমেই জটিলতা কাটানোর পথে দিল্লি ও বেজিং।

এরই মধ্যে ভারতের পাশে দাঁড়াল আমেরিকা। ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিতে তৈরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এশিয়া মহাদেশে চিনের আগ্রাসন রুখতে বিশেষ একটি বিল সেনেটে পেশ করে ট্রাম্প প্রশাসন। বিলটি আইনে পরিণত হলেই ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার বায়ুসেনার পাইলটদের প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে মার্কিন ফৌজের ঘাঁটি গুয়ামে প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে।

কূটনীতিবিদদের মতে, এশিয়া মহাদাশে বরাবরের চিনা চোখরাঙানি শুরু থেকেই ভালো চোখে নেয়নি আমেরিকা। তবে সরাসরি এব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ নানা কূটনৈতিক জটিলতার জেরে তারা করতেও পারেনি। তবে এবার ভারতীয় ভূখণ্ডে অবৈধভাবে চিন ঢুকে পড়ায় সমীকরণ বদলেছে।

চিনকে ঘিরে ফেলতে তৎপর হয়েছে আমেরিকা। সেই কারণেই ভারত, জাপান, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বিশেষ সামরিক বলয় বানাতে তৎপর মার্কিন যুক্ররাষ্ট্র। যেকোনওভাবে এবার চিনকে বেকায়দায় ফেলতে কোনও কসুর ছাড়তে নারাজ ওয়াশিংটন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ