নয়াদিল্লি: চিনের জিনজিয়াং থেকে কয়েক প্রকারের বস্ত্র আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে আমেরিকা। এর সুফল মিলতে পারে ভারতের বস্ত্র কারখানাগুলি। এমনটাই মনে করছে আইসিআরএ।

ওই এলাকায় অবৈধভাবে অমানবিক উপায়ে শ্রমিক নিয়োগ চলছে, এমই অভিযোগে তুলে সম্প্রতি এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা।

জিনজিয়াং প্রদেশের বেশিরভাগ উৎপাদিত পণ্যের উপর নিষেধাজ্ঞার নির্দেশিকা থাকলেও আপাতত, কয়েকটি পণ্যেই সেই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করা হয়েছে। সেই সব পণ্যের মধ্যে চুলের জন্য ব্যবহৃত জিনিসপত্র, কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ ছাড়াও রেডিমেড পোশাক এবং তুলো উৎপাদনে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে আমেরিকা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সারা চিনের ৮০–৮৫ শতাংশ তুলো শুধু শিনজিয়াং–এই উৎপন্ন হওয়ার কারণে এই অঞ্চল বিশ্বের অন্যতম বড় তুলো উৎপাদনকারী অঞ্চল। আইসিআরএ জানিয়েছে, এখনই সমস্ত পণ্যের বিষয়ে বোঝা না গেলেও, সারা বিশ্বের বস্ত্র শিল্পে যে একটা বদল আসতে পারে সে ব্যাপারে তাঁরা নিশ্চিত।

কারণ, সারা বিশ্বের ৩৫ শতাংশ রেডিমেড পোশাক এবং তিন–চতুর্থাংশ তুলো শিনজিয়াং থেকেই রপ্তানি হয়ে থাকে। যদি আমেরিকা এই নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়িয়ে দেয় তাহলে বস্ত্র শিল্পে ভালো রকমের পরিবর্তন আসবে। যা ভারতের পক্ষে মঙ্গলকর বলেই অনুমান আইসিআরএ কর্তার।

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের কারণে ইতিমধ্যেই চিন থেকে যে সব দেশগুলি তুলো বা রেডিমেড পোশাক আমদানি করত তারা ভারতের দিকে মুখ ঘুরিয়েছে। এই হাওয়া দেশের বস্ত্র শিল্পে নতুন উৎসাহ দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।