ওয়াশিংটন: অবশেষে সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েই নিলেন ট্রাম্প৷ বেশ কিছু দেশের প্রতিরোধ সত্ত্বেও বেরিয়ে এলেন ইরান চুক্তি থেকে৷ আমেরিকা আর এই পরমাণু চুক্তি মানবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে৷ আর তাদের এই সিদ্ধান্তেই রীতিমতো ক্ষুব্ধ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র রাষ্ট্ররা৷

গোটা বিষয়টিকে দু:খজনক বলে ব্যাখ্যা করেছে তারা৷ এই খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করে চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী অন্য দেশগুলিকে এই চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতারাস৷ ইরান চুক্তি স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, চিন, রাশিয়া ও জার্মানি ছিল।

চুক্তি অনুযায়ী শর্ত ছিল পরমাণু কর্মসূচিতে রাশ টানতে হবে, তবেই অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পাবে ইরান৷ তবে এই চুক্তি মানতে চাইছে না ইজরায়েলও৷ তাদের মতে গোপনে ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে৷ চুক্তি থেকে না বেরোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আবেদন করে ফ্রান্স৷ ইরানও এই বিষয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিল৷ তবে নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিলেন ট্রাম্প৷ ফ্রান্স বা ইরানের কথায় কাজ না হওয়ায় আমেরিকা সফরে যান ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী বরিস জনসন৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী রেস টিলারসনও এই চুক্তি টিকিয়ে রাখার পক্ষে ছিলেন বলে খবর৷

বিদ্যুৎ উৎপাদনে পরমাণু কর্মসূচির কথা বলে তেহরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে বলে অভিযোগ উঠেছিল৷ ২০১৫ সালে এই কারণেই চুক্তিটি তৈরি করা হয়৷

ট্রাম্প জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে এই চুক্তি হওয়ার পর ইরানের ওপর থেকে যেসব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছিল সেগুলো ফের বলবৎ করা হবে তার ওপর৷ ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে নতুন চুক্তি করতে আমেরিকার আপত্তি নেই৷ তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্তাবে রাজী নয় তেহরান৷ তাদের দাবি চুক্তি বাতিল করে ইরানকে অপমান করেছেন ট্রাম্প৷

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা