ফাইল ছবি

ওয়াশিংটন: করোনার জেরে বিশ্বে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ দেশ আমেরিকা। তবে ইতিমধ্যে করোনাকালীন সময়েও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চাইছে মার্কিন মুলুক। তাই কিছু স্কুল খোলার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। তবে আমেরিকান একাডেমি অফ পিডেট্রিক্স একটি রিপোর্টে বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জুলাইয়ের শেষ ১৫ দিনে করোনায় সংক্রামিত হয়েছেন প্রায় ৯৭ হাজার শিশু।

ওই রিপোর্টেই বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রামিত মোট ৫০ লক্ষ লোকের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৩৮ হাজার শিশু। এই পরিসংখ্যান সামনে আসতেই স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

পরিসংখ্যান বলছে, শুধুমাত্র জুলাই মাসেই আমেরিকায় করোনার জেরে ২৫ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে। তবে কিছু বিশেষজ্ঞরা আবার বলেছেন, বাচ্চাদের মধ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কম। তাঁদের পরামর্শ, সমস্ত নিরাপত্তা ও সতর্কতার সঙ্গে স্কুলগুলি চালু করা উচিত।

এছাড়া নিউইয়র্কে অবশ্য বাড়ি থেকেই রিমোর্ট লার্নিং-এর কথা বলা হচ্ছে। যেখানে শিশুরা, বাচ্চারা বাড়িতে বসেই পড়াশোনা করতে পারবে।

জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির দেওয়া তথ্য অনুসারে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দেখা যাচ্ছে ৫০ লক্ষ ৬০৩। মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ ৬২ হাজারের। এই দুটি সংখ্যাই বিশ্বে সর্বোচ্চ।

একটি পোলে দেখা যাচ্ছে, আমেরিকান রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প যেভাবে এই করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছেন তাতে রীতিমতো অখুশি তাঁরা। সামনের ভোটেই হয়তো তার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

অন্যদিকে করোনার জেরে মার্কিন মুলুকে বেড়েই চলেছে বেকারত্বের হার। ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের জেরে টানা চাকরি থেকে ছাঁটাই হয়ে চলেছে। বিভিন্ন রাজ্যে ভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধিতে ফের ব্যবসা-দোকান খোলা থেকেও বিরত থাকছেন অনেকে। এরফলে অনেকে ক্ষেত্রেই চাকরি থেকে ছাঁটাই হচ্ছে এবং নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া থাকছে সম্পূর্ণ বন্ধ।

এআইআই জানাচ্ছে, ১৭ মিলিয়ন মানুষ বেকার ভাতার সুবিধা গ্রহণ করছে। এরফলে একটা ব্যাপার বোঝা যাচ্ছে যে, বহু মার্কিন পরিবার চাকরি হারানো এবং আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও